অবশেষে দাম কমেছে এলপি গ্যাসের, দাম বেশি দেখলে যা করবেন

জাতীয়

বোতলের গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, ব’ন্যার কারণে গ্যাসের চাহিদা বেড়েছে। তাই গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলে গ্যাস ব্যবসায়ীরা গ্যাসের দাম বেশি রাখে। এতো দিন খুচরা বাজারে গ্যাসের দাম ১০০০ টাকার বেশি বা তার আশে পাশে বিক্রি হতো।ঝিনাইদহের একজন বলেছেন গত মাসে যে গ্যাস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা করে কিনতে হতো, তার মূল্য এখন কমে ৭৩০ টাকা হয়েছে।

আন্তজার্তিক বাজারে কাঁচা মালের দাম কমে যাওয়ায় সরকারি এলপিজির গ্যাসের দাম যা আগে ১০০ টাকা ছিল তা কমে ৬০০ টাকা হয়েছে।আজম জে চৌধুরী পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের পরিচালক জানান, কাঁচা মালের দাম কমা’র ফলে আম’রাও দাম কমিয়ে ফেলেছি। সরকারি গ্যাস

ও বেসরকারি গ্যাস আলাদা হবার ব্যাপার তারা বিইআরসির সাথে কথা বলবে। যাতে সবাই একই দামে গ্যাস বিক্রি করে।তাই সবাই কিছু দিন অ’পেক্ষা করুন দাম কমে যাবে। আর যদি ব্যবসায়ীরা দাম কম না রাখে সেক্ষেত্রে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পু’লিশকে জানাতে পারেন।

আরও পড়ুন=কোভিড-১৯ পরবর্তী রপ্তানি বাণিজ্যের সুযোগ নিতে দূতাবাসগুলোকে কাজ করতে বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি৷ তিনি বলেন, ‘রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। রাষ্ট্রদূতদের গতানুগতিক কাজের বাইরে গিয়ে দেশের রপ্তানি বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে হবে।সৌদি আরব, কুয়েত এবং উজবেকিস্তান হচ্ছে বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র। এখানে বাংলাদেশি পণ্যের বেশ চাহিদা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে বাণিজ্যের সুযোগ নিতে হবে। ’

রোববার (০৯ আগস্ট) ঢাকায় সরকারি বাসভবনের অফিস কক্ষে সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারী, কুয়েতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আসিক এবং উজবেকিস্তানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) শরিফা খান উপস্থিত ছিলেন।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের সফর বিনিময়ের মাধ্যমে বাণিজ্য বৃদ্ধি করা সম্ভব। রাষ্ট্রদূতদের বাণিজ্য প্রসারে অবদান রাখতে হবে। কোভিড-১৯ এর কারণে পরিবর্তীত বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে, এ সুযোগকে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। এরই মধ্যে রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী মন্দা অর্থনীতির মধ্যেও গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২৩ দশমিক ০৬ মিলিয়ন বেশি হয়েছে। ’

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্পেশাল ইকোনমিক জোনগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। এসব তথ্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে হবে। রাশিয়া একটি বড় বাজার। এ বাজারে প্রবেশ করতে আমরা কাজ করছি। উজবেকিস্তান এজন্য বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উজবেকিস্থানও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। উভয় দেশ বাণিজ্য জটিলতা দূর করতে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের

রাষ্ট্রদূতকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে,’ যোগ করেন তিনি।উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে সৌদি আরবে রপ্তানি হয়েছে ২৬২ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য এবং গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের মে পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ৭৯৬ দশমিক ৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্কুরুয়েতে রপ্তানি হয়েছে ২৩ দশমিক ৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য এবং জুলাই থেকে মে পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ৩৮২ দশিমক ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য। উজবেকিস্তানে রপ্তানি হয়েছে ১৯ দশিমক ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য এবং ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে আমদানি হয়েছে ৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *