অ্যান্টিবডি তৈরিতে সফল রাশিয়ার ভ্যাকসিন

জাতীয়

রাশিয়ার তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ফাইভ’ এর ট্রায়ালে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবী সবার শরীরেই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার ভ্যাকসিন নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এটি। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যাকসিনটি নিয়ে ৪২ দিন করে দুটি ট্রায়াল চালানো হয়েছে। প্রতিবার অংশ নিয়েছেন ৩৮ জন স্বেচ্ছাসেবী। এতে তাদের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। সবার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। করোনাভাইরাসের নিরাপদ টিকা উদ্ভাবনে বিশ্বজুড়ে চলমান প্রতিযোগিতার মধ্যে ১১ আগস্ট বিশ্বের প্রথম

ভ্যাকসিন ‘স্পুটনিক-ফাইভ’ অনুমোদনের ঘোষণা দেয় রাশিয়া। সোভিয়েত মহাকাশযানের নামে ভ্যাকসিনটির নামকরণ হয় ‘স্পুটনিক-ফাইভ’। ভ্যাকসিনটির অনুমোদনের ঘোষণার সময় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানান, এটি তাঁর মেয়ের শরীরেও প্রয়োগ করা হয়েছে। তবে এ

ঘোষণার পরপরই ভ্যাকসিনটি কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করে বিভিন্ন দেশ। এ ব্যাপারে তড়িঘড়ি করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলেও দাবি করা হয়। জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান

জানান। রাশিয়ার স্বাস্থ্যবিষয়ক তহবিল রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (আরডিআইএফ) প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘তিন সপ্তাহ ধরে পশ্চিমারা যেসব প্রশ্ন তুলছিলেন, এই প্রকাশনার মধ্য দিয়ে তার সব কটিরই উত্তর দিয়ে ফেলেছি আমরা।’ স্পষ্টতই তাঁরা রুশ ভ্যাকসিনকে

ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। কিরিল দিমিত্রিয়েভ বলেন, ‘এখন আমরা পশ্চিমা কিছু ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করব।’ গত সপ্তাহ থেকে ‘স্পুটনিক-ফাইভ’ নিয়ে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে প্রাথমিক ফল পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *