আজ থেকে কাতারে যা যা চালু হচ্ছে

কোভিড

আজ ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার থেকে কাতারে জনজীবন স্বাভাবিক করার চতুর্থ স্তরের প্রথম ধাপ শুরু হচ্ছে। কাতার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি গত ২৬ আগস্ট রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, এদিন থেকে কাতারে কী কী বিষয় শিথিল করা হচ্ছে। চলুন তা দেখে নেওয়া যাক এক নজরেআজ থেকে সব মসজিদ নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমা আদায়ের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। আজ থেকে বিভিন্ন মলে অবস্থিত সিনেমা হল ও থিয়েটার খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রতি হলের ধারণক্ষমতার শতকরা ১৫ ভাগ দর্শক এতে উপস্থিত থাকতে পারবেন। তবে ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ এতে উপস্থিত হতে পারবে না।

আজ ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রদর্শনী বা মেলার আয়োজন করা যাবে। কিন্তু এসব আয়োজনে ধারণক্ষমতার শতকরা ৩০ ভাগ দর্শনার্থী উপস্থিত থাকতে পারবেন। সব মেট্রো ও বাস সার্ভিস চালু করা হচ্ছে আজ থেকে। তবে মোট ধারণক্ষমতার শতকরা ৩০ ভাগ যাত্রী এগুলো ব্যবহার করতে পারবে। আর অবশ্যই সবাইকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

কাতারে যেসব ড্রাইভিং স্কুল রয়েছে, সেগুলোতে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে আগে থেকে। তবে আজ ১ সেপ্টেম্বর থেকে এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ধারণক্ষমতার অর্ধেকসংখ্যক প্রশিক্ষণার্থী উপস্থিত থাকতে পারবে।বিভিন্ন মলে যেসব খাওয়ার রেস্তোরাঁ রয়েছে, সেগুলো খোলা যাবে আজ থেকে। কিন্তু এসব রেস্তোরাঁর ধারণ ক্ষমতার ৩০ ভাগ ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি বাচ্চারা আজ থেকে সব শপিং মলে প্রবেশের সুযোগ পাবে।সব মিউজিয়াম ও পাবলিক লাইব্রেরি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হচ্ছে আজ থেকে। এসব প্রতিষ্ঠান স্বাভাবিক সময়সূচী অনুসারে খোলা থাকবে।

প্রাইভেট এডুকেশন সেন্টার ও ট্রেনিং সেন্টার আজ থেকে থোলা যাবে তবে ধারণক্ষমতার অর্ধেক ব্যবহার করা যাবে।যে কোনো বদ্ধ জায়গায় সর্বোচ্চ ১৫ জন একত্রিত হতে পারবে আজ থেকে। আর খোলা জায়গা হলে সর্বোচ্চ ৩০ জন একত্রিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।বিয়ে-শাদির উৎসবে আবদ্ধ জায়গায় সর্বোচ্চ ৪০ জন এবং খোলা জায়গায় হলে সর্বোচ্চ ৮০ জন মানুষ একসঙ্গে উপস্থিত থাকতে পারবেন আজ থেকে। তবে অনুষ্ঠানস্থলে একজন থেকে অন্যজনের কমপক্ষে দু মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এসব অনুষ্ঠানে এক টেবিলে সর্বোচ্চ ৫ জন বসে খেতে পারবেন।

বিভিন্ন হেলথ ক্লাব ও জিম এবং সাধারণ সুইমিং পুল খুলে দেওয়া হচ্ছে আজ থেকে। তবে এগুলোতে ধারণক্ষমতার অর্ধেকসংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবে। ইনডোর সুইমিং পুল হলে সেখানে ধারণক্ষমতার তিন ভাগের এক ভাগ মানুষ উপস্থিত হতে পারবে।বিভিন্ন সুকে আগত ক্রেতাদের ধারণক্ষমতার ৭৫ ভাগ উপস্থিত থাকতে পারবে আজ থেকে। তবে পাইকারি বাজার হলে সেখানকার ধারণক্ষমতার শতকরা ৫০ ভাগ ক্রেতা উপস্থিত হতে পারবে।

বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় ধারণক্ষমতার শতকরা ৩০ ভাগ ক্রেতা উপস্থিত হতে পারবেন এবং খাওয়া দাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
আজ থেকে সব ধরণের মল স্বাভাবিক সময়সূচী অনুসারে খোলা রাখা যাবে তবে মোট ধারণক্ষমতার অর্ধেকসংখ্যক ক্রেতা ও দর্শনার্থী সেখানে যেতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *