আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়ছে সোনার দাম

Travel Uncategorized World জাতীয়

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও লাগাতার দাম বৃদ্ধির প্রবণতা দেখাচ্ছে বিনিয়োগের নিরাপদ মাধ্যম সোনা। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনা বিক্রি হয় ১৯৬৩.৩২ ডলারে। যা আগের দিনে সবশেষ দামের চেয়ে ৬.৫৯ ডলার বেশি।সোনার সঙ্গে বাজারে দামের উর্ধমুখী প্রবণতা দেখাচ্ছে রুপাও। প্রতি আউন্স রুপা বিক্রি হচ্ছে ২৭.৩১ ডলারে যা গতকালের সবশেষ দামের চেয়ে ০.১৬ ডলার বেশি।এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর প্রতি আউন্স সোনার সবশেষ দাম ছিল ১৯৪৬.৫৬ ডলার।

১০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫.২৩ ডলারে নামে প্রতি আউন্স সোনার দাম। দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকে ১১ সেপ্টেম্বরও। আগের দিনের চেয়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৩.৭২ ডলার; দিন শেষ হয় ১৯৪১.৫০ ডলারে। ১২ সেপ্টেম্বর আরেক দফা পতন হয় সোনার। ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৪১.৫১ ডলারে থামে মূল্যবান এই ধাতুর লেনদেন।আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ২১শ’ ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

জুলাই মাসে এমন পূর্বাভাস দেয়া হলেও আগস্ট থেকেই করোনার টিকা বাজারে আসার পূর্বে সফল ট্রায়ালের ঘোষণায় বিনিয়োগকারীরা অন্য খাতের লগ্নি করার পরিকল্পনা করায় কমতে শুরু করে এই ধাতুর দাম। এরপর আবার গেল ৯ সেপ্টেম্বর থেকে লাগাতার দাম বাড়ছে সোনার।

আরও পরুন=চলতি বোরো মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শেষ হচ্ছে আজ। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও পূরণ হয়নি। ৭ মে থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে মাত্র ২ লাখ ১৬ হাজার টন ধান ও ৭ লাখ ১৪ হাজার টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। অথচ সরকারের টার্গেট ছিল ৮ লাখ টন ধান ও সাড়ে ১১ লাখ টন চাল সংগ্রহ করা।

সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারে দাম বেশি হওয়ায় গুদামে ধান-চাল দিচ্ছেন না কৃষক ও মিলাররা। এতে বোরো সংগ্রহে বেহাল চিত্রের সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় ধান-চাল সংগ্রহের সময়সীমা আর বাড়ানো হচ্ছে না বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) সারোয়ার মাহমুদ। তিনি বলেন, অন্য বছরের মতো এবার ধান-চাল সংগ্রহ হয়নি।

করোনা ও বন্যার কারণে পরিবেশ অনেকটাই বৈরী। টার্গেটের অর্ধেকও সংগ্রহ করা যায়নি। সংগ্রহের সময় আবারও বাড়ানো হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন: না, আর সময় বাড়ানো হবে না। আর সময় বাড়িয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না। ধান-চাল তো পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে টার্গেট পূরণে বিদেশ থেকে চাল আমদানি করবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিজি বলেন, এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যা সংগ্রহ হয়েছে তা বিচার-বিশ্লেষণ করে সরকার প্রয়োজন মনে করলে চাল আমদানি করতে পারে। সেটা সময় বলে দেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *