আল্লাহকে ভয় করলে আপনি সব সময়ই অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন

জাতীয়

মাঠের ক্রিকেটে আগ্রাসী। ব্যাট হাতে তো বুম বুম আখ্যা পেয়েছিলেনই, বল হাতেও বেশ আক্র’মনাত্মক ছিলেন পাকিস্তানি তারকা শহীদ আফ্রিদি। মাঠের বাইরে কথাবা’র্তায়ও বেশ চাঁচাছোলা এই ক্রিকেটার। বিভিন্ন সময়ই কথার বো’মা ফাটিয়েছেন। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট লড়াইয়ের পাশাপাশি প্রতিবেশী দুই দেশের রাজনৈতিক দ্ব’ন্দ্ব- অমী’মাংসিত কাশ্মীর ইস্যুতেও প্রায়ই মুখ খুলেন তিনি।আর কথায় কোনো

রাখঢাক না রাখা আফ্রিদির সেসব কথায় রা’গে-ক্ষো’ভে ফুঁসে ওঠে ভারতীয়রা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ রাখলেই সেসব নজরে আসবে। এবার সামনাসামনি পেয়ে সরাসরি আফ্রিদিকে জিজ্ঞেস করেই বসলেন সাংবাদিকরা, তোপের মুখে পড়ার পরও রাজনৈতিক ইস্যুতে কথা বলেন কেন তিনি? এবারও আফ্রিদির জবাবটা সোজাসাপ্টা।প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনি একজন সত্যিকারের মুসলমান হলে, আল্লাহকে ভয় করলে আপনি সব সময়ই অন্যায়ের প্রতি’বাদ করবেন। কেবল ইসলাম নয়,

সব ধর্মই শিক্ষা দেয় মানবতার। একইসঙ্গে আপনাকে ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষাও দেয় ধর্ম। কোন ধর্ম কিংবা দেশের বিষয় নয় এটি। আমি যেখানেই অন্যায় দেখবো সেখানেই তার প্রতি’বাদ জানাবো। তাতে কে খুশি হলো আর কে অখুশি হলো তাতে আমার কিছু এসে যায় না।কেবল রাজনৈতিক দ্ব’ন্দ্বই নয়, ভারতীয় ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে ঝামেলা নিয়েও মুখ খুলেছেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, এসব বিষয় মাঠেই থাকা ভালো। মাঠের দ্ব’ন্দ্বের জন্য আপনার ঘুম হা’রাম করার কোনো মানেই হয় না।-।

আরও পড়ুন=ঐশী গ্রন্থ আল কোরআনের একটি অম্লান বাণী মুসলমানদের হৃদয়েই শুধু নয়, বিশ্বের ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, অঞ্চল, নারী, পুরুষ নির্বিশেষে সকলের হৃদয় ও মনে আশাবাদের চেতনায় তীব্র দোলা দেয়। পদস্খলিত, পথভ্রষ্ট ও বিপথগামী মানুষের সামনে জীবনের দিশা, মুক্তি ও কল্যাণের প্রেরণা জাগ্রত করে সূরা যুমারের ৫৩ নম্বর আয়াত, যেখানে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘হে নবী! আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা, তোমরা যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছো, তারা আল্লাহতায়ালার রহমত থেকে কখনো নিরাশ হয়ো না। অবশ্যই আল্লাহতায়ালা সমুদয় পাপ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’

রহমত, বরকত, মাগফেরাত, নাজাতের রমজান মাসে মুসলমানদের জন্য আল্লাহর দিকে ফিরে আসার ও তাওবা করার মহা সুযোগ সৃষ্টি হয়। নিজেদের ওপর জুলুম করার জন্য যে দুর্ভাগ্য ও ক্ষতির সম্মুখীন হয় মানুষ, তার কবল থেকে তাওবা বা ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে পরিশুদ্ধি লাভের মহাসুযোগ ঘটে রমজানে। তওবা ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে রমজান রোজাদারদের আল্লাহর দিকে এবং রহমতনও কল্যাণের দিকে ধাবিত করে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *