ইরানে খুলল স্কুল, সাত মাস পর ক্লাসে শিক্ষার্থীরা

জাতীয়

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্ব। করোনার প্রকোপ আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। তবে এই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে আস্তে আস্তে ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার পথে চলা শুরু করেছে অনেক দেশ।সাত মাস বন্ধ থাকার পর গত শনিবার ইরানে খুলল স্কুল। বিভিন্ন কড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় দেড় কোটি শিক্ষার্থী ফের শিক্ষাঙ্গনে ফিরতে পারল। গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে

তারা ক্যাম্পাসে ফিরছে। এ অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে ছোট ছোট প্লাস্টিকের একেকটি তাঁবুতে বসে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। করোনা সংক্রমণ থেকে যাতে বাঁচা যায়, তার জন্যই এই বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি

মানা হচ্ছে।এই ছবি প্রথম শেয়ার করেন এক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থায় কর্মরতা জার্নালিস্ট ফারনাশ ফাশিহি ৷ ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন .’School-অর্থাৎ ‘মহামারির যুগে ইরানের স্কুল।’ ছবিটিতে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, খুদে ছাত্রীরা প্লাস্টিকের তাঁবুতে বসে রয়েছে ৷ তাদের মুখে কোনো মাস্ক নেই, নিজেদের খাতায় তারা লিখছে। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

আরও প্রুন= আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসির খেলোয়াড়ি জীবন আর বার্সা ছাড়ার সিদ্ধান্তের খবর নিয়ে মত্ত ফুটবলবিশ্ব। এতে চাপা পড়ে গেছে তার জনসেবামূলক কাজের খবর।করোনাকালে বার্সা অধিনায়ক নিজ দেশের হাসপাতালে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েছেন। নানারকম দাতব্য কাজে অংশ নিয়েছেন।এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো – ১০ বছর বয়সী এক আর্সেনাল ভক্তের দৃষ্টিশক্তি ফেরাতে সহায়তা করেছেন মেসি।দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ওই বালকের নাম মাইকি পুলি। তার বাড়ি উত্তর লন্ডনে। মূলত মাইকি পুলিই নয়, সেসহ আরও ১২ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীকে স্বাভাবিক জীবনে আনতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মেসিমূলত:

ওরক্যাম টেকনোলজিস নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন মেসি। প্রতিষ্ঠানটি অন্ধদের জন্য বিশেষ চশমা প্রস্তুত করেছে। যার নাম ‘ওরক্যাম মাই আই’। এ চশমা এসব অন্ধ লেখা, বিভিন্ন বস্তু এবং লোকের কথা বুঝতে সাহায্য করবে। প্রতিটি চশমার বর্তমান বাজার মূল্য ৪২০০ পাউন্ড (বাংলাদেশি মূদ্রায় ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা!)।

এই চশমা পরে মাইকি এখন অনেকটা স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছেজানা গেছে, পুলিসহ ওই ১২ দৃষ্টিহীনই নয়, প্রতি বছর মেসি এই চশমা দেবেন অন্ধদের। জীবন পাল্টে দেবেন তাদের।আপাতত প্রথম প্রজেক্টে ১২ জনকে সিলেক্ট করা হয়েছে। ইংল্যান্ড থেকে ভাগ্য খুলেছে একমাত্র মাইকি পুলির। এছাড়া ওই ১২ জনের মধ্যে উরুগুয়ে, ব্রাজিল, স্পেন, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও জাপানের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রয়েছে।এদিকে এমন দাতব্য কাজে অংশ নিতে পেরে বেশ খুশি মেসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *