ইয়াবা নিয়-ন্ত্রক এসপি মাসুুদ, ওসি প্রদীপ, রণজিৎ বড়ুয়া, ফরিদ জড়িত !

জাতীয়

কক্সবাজারের জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ ক-ক্সবাজারে ইয়াবার নিয়-ন্ত্রক । জেলাবাসী তাকে রংবাজ মাসুদ হিসাবেও চেনেন । মা-দক ব্য-বসা পরিচালনা, মাদক ব্যবসায়ীদের পৃ-ষ্ঠপোষকতা, তার নিয়-ন্ত্রিত ওসি ও পুলিশ ক-র্মকর্তারা মা-দক মামলার ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ক্র-সফায়ার ও হয়রানির অভিযোগ দী-র্ঘদিনের। এসপি মাসুদের নিয়-ন্ত্রণে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসের নে-তৃত্বে গড়ে উঠেছিল ৩২ সদস্যের শক্তি-শালী একটি বাহিনী । এই বাহিনীতে ৬ জন এসআই,

৫ জন এএসআই ও তিন জন কন-স্টেবল নিয়ে গঠিত । এই বাহিনী বিশাল গাড়ি বহরে যাতায়াত এবং মা-দক পাচার করত ।কক্স-বাজার সদর থানার তৎকালীন ওসি ফরিদ উদ্দিন , টেকনাফ থানার সাবেক ও চাঁদপুরের ডিবির ওসি রণজিৎ কুমার বড়ুয়া মা-দকের সি-ন্ডিকেট সদস্য ছিলেন । মিয়ানমার থেকে প্রবাহিত নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশে ঢুকে ই-য়াবা । মাদক পাচারের সাথে ওসি প্রদীপের মত আরো অনেক ওসি জড়িত । উখিয়ার ওসি মর্জি-নার নামও জানা গেছে । যদিও সকল কিছুর নেপথ্যে এসপি এবিএম মাসুদ । কোটি কোটি টাকার ই-য়াবা ব্য-বসা হয়েছে হাত ধরে । তাদের গাড়ির বহর ছিল মন্ত্রী স্টা-ইলে ।

কক্সবাজার, টেকনাফসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় সরেজমিনে এলাকাবাসীদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে ।অবসরপ্রা-প্ত মেজর সিনহার হ-ত্যাকা-ন্ডের পর আলোচনায় আসে ওসি প্রদীপ দাশের অ-ন্ধকার জগতের তথ্য। ক্র-সফায়ার ‘বাণি-জ্য’ ও মাদক ব্যবসায় ম-তদ দেয়ার মাধ্যমে টাকা কামানোর নে-শায় পরিণত হয়েছিল প্র-দীপের। কি-ন্তু তিনি কী একাই এই কাজ করেছেন? না। তার সঙ্গে ছিলেন ক-ক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনও। গো-য়েন্দা সংস্থার অনুস-ন্ধান ও স্থানীয়দের ভাষ্যে উঠে এসেছে এসপি মাসুদের নানা অনিয়মের তথ্য। মাদকবিরোধী অভিযানের নামে দুর্নী-তি, টাকার বিনিময়ে মা-দক ব্য-বসায়ীকে ছেড়ে দেয়া,

বড় মা-দক ব্যব-সায়ীদের না ধরে চুনোপুঁটিদের ধরা, ক্র-সফায়ার বাণিজ্য ছিল ই-য়াবা ব্যবসার পাশাপাশি তাদের কর্ম-কান্ড ।নিজে ই-য়াবার নিয়ন্ত্র-ক হয়েও এসপি মাসুদ সাধারণ মানুষকে ই-য়াবার নামে হয়রানি, মি-থ্যা মাদক মামলায় ফাঁ-সিয়ে অর্থ আদায় না দিলে ক্রসফায়ারে দিত । নাফ নদী দিয়ে এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একেকটি চালানে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ তথা কক্সবাজারে বিশ ত্রিশ লাখ পর্যন্ত ই-য়াবা পাচার হয়ে প্রতিদিন এসেছে ।মিয়ানমারের জলসীমার কাছে গিয়ে ওদের দেশের নৌযান থেকে নাফ নদী হয়ে কক্সবাজারে পাচার করে আনা হয় ই-য়াবা । মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাচার হয়ে আসার প্রধান রুট কক্সবাজারের টেকনাফ এবং উখিয়া ।

এই রুটের নিয়-ন্ত্রক এসপি মাসুদ বলে স্থা-নীয়রা মনে করেন । মাদক ব্যবসায় পুলিশের গাড়ি ব্যবহার করাও অভিযোগ আছে। সাবেক ওসি প্রদীপ, সাবেক ওসি রণজিৎ বড়ুয়া , অপরাপর এসআই, এএসআই, পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগীরা নির্বিঘে ই-য়াবা ব্যবসা পরিচালনা করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে ।টেকনাফে সরেজমিনে গিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের সোর্সপ্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, প্রদীপ বাহিনী ই-য়াবা পাচার করত কুমিল্লা, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, ময়মনসিংহ , ঢাকা আশেপাশেসহ দেশের বিভিন্ন প্রা-ন্তে । তারা ব্যা-পকহারে ইয়াবা পাচার করত । দেশের বিভিন্ন স্থা-নে কয়েকজন পুলিশের সদস্য মাদ-ক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের আটকও করেছে আইনশৃ-ঙ্খলা বাহিনী ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *