এই মাত্র পাওয়া,বাংলাদেশী যুবককে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী

জাতীয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে মো. ইউছুফ (৩২) নামে এক বাংলাদেশী যুবককে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি।সোমবার সন্ধ্যায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ফুলতলী-জারুলিয়াছড়িস্থ নোম্যান্সল্যান্ডের ৪৭ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মো. ইউছুফ উপজেলার ফুলতলী গ্রামের সোলেমানের ছেলে।বিজিবি ও স্থানীয়রা জানায়, নোম্যান্সল্যান্ডের ৪৭ নম্বর পিলার এলাকায় গবাদিপশুকে খাওয়াতে গিয়ে এক যুবককে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

সীমান্তবাসীদের দাবি, সোমবার বিকালে মিয়ানমার বাহিনীর সদস্যরা ইউছুফকে ধরে হাত-পা বেঁধে সীমান্তে ফেলে রেখেছিল। সন্ধ্যায় তাকে মিয়ানমারে ধরে নিয়ে যায়।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, এক বাংলাদেশী নাগরিককে ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর শুনেছি।

বিষয়টি নিয়ে সীমান্তের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করা হচ্ছে।এদিকে ঘটনার পর বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে বিজিবির দায়িত্বশীল কোনো সূত্রের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন= আগস্টের শেষ সপ্তাহে ব্যুরোফ্যাক্সের মাধ্যমে বার্সার সঙ্গে চুক্তির একটি বিশেষ শর্ত ব্যবহার করে ফ্রি ট্রান্সফারে ক্লাব ছাড়ার যে বার্তা দিয়ে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন ফুটবল বিশ্বের মনোযোগ, শুক্রবার সেটি থেকে সরে আসার কথা জানালেন মেসি। সোমবার ফিরলেন বার্সায় তার ‘নতুন অধ্যায়ের’ অনুশীলনে। নতুন কোচ রোনাল্ড কোম্যানের অধীনে যেটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে সপ্তাহখানেক আগেই।স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে,

অনুশীলনে ফেরার একদিন আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষায় অংশ নেন মেসি। সেটির ফল নেগেটিভ এসেছে। পরেরদিন অনুশীলনে যোগ দেয়ার অনুমতি পেয়েছেন।সোমবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় সোয়া ঘণ্টা আগেই দলীয় অনুশীলন গ্রাউন্ডে মেসির পোঁছে যাওয়ার কথা জানিয়েছে তাকে পাখির চোখ করতে থাকা গণমাধ্যম। পরে অনুশীলনে সতীর্থদের সঙ্গে ছিলেন হাসিমুখেই।বার্সার সঙ্গে দশদিন চলেছে মেসির দলবদল পরিস্থিতির স্নায়ুচাপ। মেঘটা কেটে গেছে।

মেসি ২০২০-২১ মৌসুম বার্সেলোনায় থেকে যাওয়ার কথা জানান সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে। তাকে আদালতে নেয়ার কথাও বলেছিল বার্সা। কিন্তু প্রাণের ক্লাবের সঙ্গে বিচ্ছেদটা আইনি লড়াই পর্যন্ত গড়াতে দিতে চাননি, থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সেজন্যই, সেটিও জানিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *