এই মাত্র পাওয়া, যে সকল শিক্ষার্থীরা ১০ হাজার টাকা করে পাবে

জাতীয়

মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে গত মার্চ মাস থেকেই। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। বেশ কিছুদিন আগে থেকেই দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চালু হয়েছে অনলাইন ভিত্তিক পাঠদান কার্যক্রম।

অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হলেও শিক্ষার্থীদের বড় একটা অংশ ক্লাসে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রয়োজনীয় ডিভাইস যেমন স্মার্টফোন, কম্পিউটার না থাকার কারনে ক্লাসে যোগ দিতে পারছেন না অনেকেই। আর্থিকভাবে অসচ্ছল এই সকল শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন কেনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে আর্থিক ঋণ।

জানা গেছে চলতি মাস থেকেই এই ঋণ প্রদানের কাজ শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের দেয়া তালিকা অনুযায়ী প্রতিজন শিক্ষার্থী পাবেন ১০ হাজার টাকা করে। এই টাকা পরিশোধ করতে হবে প্রতি মাসে কমপক্ষে ৫০০ টাকা করে কিস্তির মাধ্যমে। টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থীদের সনদ আটকে দেয়া হবে এমনটাও জানা গিয়েছে।

চলতি মাসেই শিক্ষার্থীদের ঋণ প্রদানের ব্যাপারটি নিশ্চিত করে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহিদুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, ‘’সব শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসে সম্পৃক্ত করতে উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে। সম্মতি পেলে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কিনতে ১০ হাজার টাকা করে শিক্ষাঋণ দেওয়া সম্ভব হবে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের উপর।‘’

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তালিকায় অসঙ্গতি রয়েছে এমনটা জানিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘’বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তালিকা দিতে বলেছিলাম। তারা তালিকা পাঠিয়েছে। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো তালিকায় অসঙ্গতি রয়েছে। সেগুলো সংশোধন করতে চিঠি দেয়া হবে। যেগুলোর তালিকা নিয়ে সমস্যা নেই সেগুলোর বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছি।‘’

শিক্ষার্থীরা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে সনদ পত্র দেয়া হবে না এমনটাও জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। ‘’শিক্ষাঋন অবশ্যই শিক্ষার্থীদের পরিশোধ করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী তার শিক্ষাবর্ষের মেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুযোগ পাবেন। এই ঋণ পরিশোধ না করলে তাকে সার্টিফিকেট দেয়া হবে না।‘’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *