ওসি প্রদীপকে হাত করে রাতারাতি কোটিপতি দফাদার আমিনুল

জাতীয়

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা হোয়াইকং ইউনিয়নের দফাদার আমিনুল হক রাতারাতি জিরো থেকে হিরো হয়ে গেলেন। বাংলাদেশ স’রকার যখন মা’দক মুক্ত করার জন্য নির্দেশ দেন তখন থেকে ক্রসফায়ারের নামে ঘুষ বার্ণিজ্য শুরু করেন ওসি প্রদীপ কুমার। এই ঘুষের নেতৃত্ব দিতেন দফাদার আমিনুল হক।ওসি প্রদীপ যখন ক্রসফায়ার দেওয়া শুরু করেন তখন থেকে এই ঘুষের বাণিজ্য শুরু।তখন আ’তঙ্কে পড়ে যায় পুরো টেকনাফ উপজে’লা বাসী।এই সুবর্ণ সুযোগে ইয়াবা ও ঘুষের বার্ণিজ্য নেমে যায় দফাদার আমিনুল হক।

দফাদার নুরুল আমি ওসি প্রদীপের প্রধান সোর্স। ওসি প্রদীপের অ’বৈধ লেনদেন করতেন আমিনুল হক।দফাদার আমিনুল হক এই সুযোগে অ’সহায় অসংখ্য মানুষকে হ’য়রানির শি’কার করে।মা’মলায় ঢুকায় দিবে বলে কারো কাছ থেকে ৫ লক্ষ কারো থেকে ৭ লক্ষ টাকা নিতেন দফাদার আমিনুল হক। আবার মৃ’ত্যুর ভ’য় দেখিয়ে কেড়ে নিত নামি-দামি গাড়ি। মা’মলার চার্জশিট থেকে বাদ দেয়ার অজুহাতে লাখ লাখ

টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এই দফাদার। তার নেতৃত্বে চলে ইয়াবা ডনদের টাকার বিপুল পরিমাণ লেনদেন। প্রতিমাসে ইয়াবা ডনদের কাছ থেকে চাঁ’দা নিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাঁচিয়ে রাখতেন পুলিশের হাত থেকে এই দফাদার আমিনুল হক।

বিগত দুই বছর আগে যেখানে আমিনুল হক একটি মাইক পাবলিসিটির ছোট্ট একটা দোখান করতো। তার খাবারের জন্য অনেক ক’ষ্ট করতে হতো। এবং তার পিতা মৌলভী সিরাজ এর এত সম্পদ ছিলনা। যেখানে রাতের খাবার জোগার করলে সকালের চিন্তা করতে হতো তার পরিবারের। এখন সেই দফাদার রাতারাতি কোটি টাকার মালিক কিভাবে হলো জনমনে প্রশ্ন এখন।বর্তমানে তার দামী বাইক ও ৫ তলা

ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একটি মার্কেট রয়েছে। তার নিজ অর্থায়নে তার বাড়ি যাওয়ার জন্য ৬লক্ষ টাকা খরছ করে একটি সড়কও নির্মান করেছেন এই দফাদার আমিনুল হক। এবং আরেকটি কথা শুনলে সবাই অবাক হয়ে যাবেন সেটি হলো wifi লাইন যখন হোয়াইক্যং ইউনিয়নে প্রথম

নেওয়াস আনে তখন সেই লাইনটির নজর লাগে দফাদার আমিনুল হক। তখন থেকে মা’মলা ও ক্রসফায়ারের হু’মকি দেয় দফাদার আমিনুল হক।অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে অল্প টাকায় wifi লাইনটি দফাদার আমিনুল হক এর হাতে তুলে দেয় নেওয়াজ। তার অ’পকর্মের বি’ষয়ে এলাকার মানুষ মুখ খুলতে চাইলে তাদের মা’মলায় ঢুকায় দিবে বলে হু’মকি দিয়ে দ’মন করে রাখতেন আমিনুল হক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *