ওসি প্রদীপের চেয়ে সম্পদ কম নয় রনজিত বড়ুয়ার !

জাতীয়

টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বর্তমানে চাঁদপুর জে’লা গোয়েন্দা সংস্থা ডি’বির ওসি রনজিৎ বড়ুয়া ও সমালোচিত ওসি প্রদীপ কুমার দাসের বি’রুদ্ধে নামে-বেনামে অ’বৈধভাবে কয়েক শ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগ রয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে দু’র্নীতি দ’মন কমিশন (দুদক)। দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জে’লা কার্যালয়-২ এর একটি সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

সূত্রটি আরও জানায়, টেকনাফ মডেল থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক ওসি প্রদীপ কুমার দাস। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ, বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৫ সালে বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি থাকাকালীন সুপার রিফাইনারি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শিল্পপতি সেলিম আহাম্মদের বি’রুদ্ধে তেল পা’চারের মি’থ্যা মা’মলা দিয়ে হয়রানির অ’ভিযোগে সাময়িক

বরখাস্ত হয়েছিলেন।তাদের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বি’ষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।অপরদিকে রণজিত কুমার বড়ুয়া বর্তমানে চাঁদপুর জে’লা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ২০১৮ সালে টেকনাফ মডেল থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন। এরআগে চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানায় ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বি’রুদ্ধে নামে-বেনামে বিপুল অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অ’ভিযোগ রয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানকালেও তিনি একাধিক ব্যাংকের এফডিআর ভাঙিয়েছেন বলে জানা গেছে। সাউথ ইস্ট ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংকে নামে-বেনামে তার একাধিক স্থায়ী আমানতের খোঁজ পেয়েছে দুদক।দু’র্নীতি দ’মন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম সমন্বিত জে’লা

কার্যালয়-২ এর উপ-পরিচালক লুৎফর কবির চন্দন জানান, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কয়েকজন ওসির বি’রুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। কয়েকজনের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগের সত্যতাও মিলেছে। তবে ত’দন্তের স্বার্থে কারও বি’ষয়ে নির্দিষ্ট করে তথ্য দিতে রাজি হননি তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *