খাদ্যমন্ত্রী : অন্যান্য মন্ত্রণালয় আমাদের দেখে এখন শিখছে

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, যে কৃষক কৃষি কার্ড বিক্রি করবেন তাকে কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাক লিস্ট) করা হবে। আমি যতদিন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকবো ততদিন পর্যন্ত তাকে কালো তালিকায় রাখা হবে। আমরা মাঠপর্যায়ে শুদ্ধাচার মিটিং করেছি। আমি চ্যালেঞ্জ করছি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে এমন করা হয় না। আমাদের দেখে অন্যান্য মন্ত্রণালয় এখন শিখছে।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের আয়োজেন নওগাঁ সদর উপজেলা খাদ্য গুদামে ডিজিটাল খাদ্যশস্য ব্যবস্থাপনার আওতায় ‘কৃষকের অ্যাপ’ এর মাধমে আমন মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষ মনে করে খাদ্য বিভাগ দুর্নীতিগ্রস্ত। আমি খাদ্য মন্ত্রণালয়কে আদর্শে পরিণত করতে চাই।

অ্যাপের মাধ্যমে কৃষক সরাসরি খাদ্য গুদামে ধান দিবে এবং তারা লাভবান হবে। তারা কৃষি কার্ড বিক্রি করায় লটারিতে নাম ওঠে এবং তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়। কিন্তু তারা টাকা পায়না। এজন্য কৃষকের অ্যাপস চালু করা হয়েছে। কিছুটা হলেও এখন থেকে তারা লাভবান হবে। অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করতে আগামীতে গোটা দেশকে অ্যাপসের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ইতোমধ্যে অ্যাপসের মাধ্যমে দেশের ১৬টি উপজেলায় পাইলট স্ক্রিমের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক কৃষক ধানের আবাদ না করেও তালিকায় নাম উঠিয়েছে। এর দায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের না। কারণ তালিকা দেয়ার দায়িত্ব কৃষি অফিসের। আমরা অনিয়ম বরদাস্ত করবো না।নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারুক হোসেন পাটওয়ারী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা,

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুবুল হক কমল, সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাজের হাসান, খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আতিকুর রহমান প্রমুখ।অনুষ্ঠানে চালকল মালিক ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চালকল মালিক মাহাবুবুল হক কমলের কাছ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে চাল ক্রয়ের উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী।চলতি আমন মৌসুমে সদর উপজেলায় ২৬ টাকা কেজি দরে ১ হাজার মেট্রিক টন ধান ও ৩৬ টাকা কেজি দরে সিদ্ধ চাল ৬ হাজার ১৫৮ মেট্রিক টন এবং ৩৫ টাকা কেজি দরে ৮৬৬ মেট্রিকটন আতপ চাল কেনা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

Leave a Comment