খালেদার সাজা স্থগিতের মেয়াদ নিয়ে যা বললেন আ.লীগ

জাতীয়

দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়লে, আপত্তি নেই আওয়ামী লীগের। দলটির নেতারা বলছেন, সাজা স্থগিত করা না করার এখতিয়ার সম্পূর্ণ আদালতের। আর বিএনপি মহাসচিবের মতে, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো দরকার।

দুর্নীতি মামলায় প্রায় দুই বছর কারাগারে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। পরিবারের আবেদনে শর্ত সাপেক্ষে গেল মার্চে ছয় মাসের জন্য জামিনে মুক্তি পান তিনি। এই মেয়াদ শেষ হবে ২৬ সেপ্টেম্বর। এ অবস্থায় তার পরিবার আবারো জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, চিকিৎসার জন্য বেগম জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর এখতিয়ার আদালতের, এতে হাত নেই আওয়ামী লীগের। তবে ক্ষমতাসীন দলের কেউ কেউ মনে করেন, শর্ত সাপেক্ষে এমন মুক্তির অপব্যবহার যাতে না হয় সে জন্যও সজাগ থাকতে হবে সবাইকে।

বিএনপি মহাসচিব বলছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ানো দরকার। গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন খালেদা জিয়া। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

আরও পড়ুন= =সাধারণত খেলোয়াড়দের দলবদল নিয়ে কোন বিবৃতি দিতে দেখা যায় না লীগ কর্তৃপক্ষকে। কিন্তু লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির বার্সেলোনা ছাড়া নিয়ে যে তোলপাড় আর হিসেব-নিকেশ চলছে শেষ পর্যন্ত বিবৃতি দিতেই হলো লা লিগাকে। রোববার (৩১ আগস্ট) দেয়া সেই বিবৃতিতে অবশ্য লা লিগা কথা বলেছে বার্সেলোনার পক্ষেই। লা লিগা বলেছে, মেসিকে দলে ভেড়াতে হলে সংশ্লিষ্ট ক্লাবকে ৭০০ মিলিয়ন বা ৭০ কোটি ইউরো রিলিজ ক্লজ পরিশোধ করতে হবে।

২০১৭ সালে মেসির সঙ্গে বার্সেলোনার সবশেষ চুক্তিতে একটি শর্ত জুড়ে দেয়া আছে। সে শর্তে উল্লেখ আছে, মৌসুম শেষে মেসি ফ্রি টান্সফারে অন্য ক্লাবে যেতে পারবেন। মেসির আইনজীবীরা সে শর্তটাই সক্রিয় করতে চাইছেন। অন্যদিকে বার্সেলোনা বলছে, মেসির সঙ্গে চুক্তি আর বাকি ১২ মাসেরও কম (২০২১ সালের জুন পর্যন্ত)। সেজন্য মেসি বার্সেলোনা ছাড়লে ৭০ কোটি ইউরো পরিশোধ করতেই

হবে। রিলিজ ক্লজ নিয়ে ক্লাবের সঙ্গে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন মেসি। রোববার কভিড-১৯ পরীক্ষা করাতেও আসেননি। আজ সোমবার দলের অনুশীলনেও নামবেন না বলে জানিয়েছেন। একদিকে মেসি ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্তে অটল। বার্সেলোনাও মেসিকে ধরে রাখতে নানা রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অবস্থা যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়াবে। সেটা হলে দু’পক্ষের জন্যই ভালো উদাহরণ হয়ে থাকবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *