খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

জাতীয়

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সস্প্রতি খালেদা জিয়ার পরিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তার মুক্তির এক্সটেনশন চেয়ে আবেদন করেছে। সেটা এখনও আমি পাইনি। পেলে দরখাস্ত দেখে বিবেচনা করা হবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনলাইনে

কেবিটেন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, তিনি একটি দরখাস্ত পেয়েছেন৷ আগামী সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখ ৬ মাস শেষ হয়ে যাবে। তারা সেটার এক্সটেনশন চেয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেই দরখাস্তের কপি আমার কাছে পাঠিয়েছেন। তবে সেটা এখনও আমার কাছে এসে পৌঁছায়নি।পৌঁছালে বিবেচনা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, দরখাস্তে কি লিখেছেন

সেটা এখনও আমি জানি না। সেক্ষেত্রে আমি কি বিবেচনা করবো? দরখাস্ত না পড়ে কথা বলাটা আমার ঠিক হবে না। তিনি বলেন, নিশ্চিয়ই খালেদা জিয়াকে যখন ৬ মাস আগে একবার প্রধানমন্ত্রী মানবিক কারণে মুক্তি দিয়েছিলেন। সেটা আমরা তার (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে দরখাস্তে কি লেখা আছে সে সব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবো।

আরও পড়ুন=জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা, ২০১৭’ (সংশোধিত, ২০২০) এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে স্যাটেলাইট টেলিভিশন এবং পত্রিকাগুলোর অনলাইন সংস্করণের জন্য নিবন্ধনের বাধ্যকতা রাখা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে গণভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে

যোগ দেন মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা।বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম ব্রিফিং করে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ২০১৭ সালের অনলাইন গণমাধ্যমের যে নীতিমালা ছিল, সেটিতে সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধনীতে মোট পাঁচটি নতুন অংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের যোগ্যতা বা অযোগ্যতা, অনুমোদন ফি ও নির্ধারণ।

এছাড়াও আরও রয়েছে, লাইসেন্সপ্রাপ্ত টেলিভিশন চ্যানেলের ও বেতারের নিউজ পোর্টাল হিসেবে প্রচারকার্য পরিচালনা, আইপি টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও সম্প্রচারের ব্যাপারে কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা ছিল না। নতুন করে এগুলোকেই অন্তর্ভুক্ত করে খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছরুরেডিও এবং টেলিভিশনে অনলাইন করার যোগ্য না উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, তারা যদি অনলাইন করতে চায়, সেক্ষেত্রে অনুমতি নিতে হবে। আর পত্রিকাগুলোর ক্ষেত্রে পত্রিকাতে যা ছাপা হয় তা যদি পুরোপুরি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়, সে ক্ষেত্রে নিবন্ধন নিতে হবে না। তবে পত্রিকা এবং তাদের অনলাইনের মধ্যে ভিন্নতা থাকলে নিবন্ধন নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *