গ্রেফতার আতঙ্কে ওসি প্রদীপের অপকর্মের সঙ্গীরা

জাতীয়

৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন টেকনাফ থানার অব্যহতিপ্রাপ্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস। আর এরপর থেকেই গ্রেফতার আতঙ্ক বেড়েছে ওসি প্রদীপ কুমার দাসের অপকর্মের সঙ্গীদের।স্থানীয়দের দেয়া তথ্যানুযায়ী, প্রদীপের নানান অপকর্মের সহযোগী ছিলেন পুলিশেরই কয়পকজন সদস্য এবং টেকনাফজুড়ে তাদের পরিচিতি ছিল ‘ওসির টিম’ বলেই।

এসব সদস্যরাই থানায় ধরে নির্যাতন ও ইয়াবা অস্ত্র দিয়ে ভিডিও ধারণ করতেন।স্থানীয়রা জানান, টেকনাফ থানাজুড়ে ছিল প্রদীপের বিশেষ টিমের দাপট। এই টিমের সদস্যদের দিয়ে প্রদীপ চালাতেন নানান অভিযান। এই টিমের সদস্যরা হলেন, ওসি প্রদীপের ভাগ্নে থানার এসআই মিঠুন ভৌমিক- এএসআই সঞ্জীব দত্ত, এসআই মশিউর, এসআই সঞ্জীব, এসআই রাম নিলয়, এসআই কামরুজ্জামান, এএসআই আমির, এসআই কাজী মোহাম্মদ সাইফ,

এসআই মিঠুন ভৌমিক, কনস্টেবল সাগর, নামজুল, রুবেল দাশ, রাজু মজুমদার, পুলিশ সদস্য শরিফুল।সূত্র অনুযায়ী, থানার তিন তলায় একটি বিশেষজ্ঞ টর্চার সেল ছিলো। ওই সেলের জন্য আলাদা দরজা ব্যবহার করা হতো যাতে সিসিটিভিতে কোনো প্রমাণ না থাকে। বিশেষ টিমের কাজ ছিলো ওই টর্চার সেলে নিয়ে ইয়াবা এবং অস্ত্র দিয়ে ভিডিও ধারণ করানো এবং তাদের মুখ দিয়ে বিভিন্ন নাম বলানো।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে কনস্টেবল সাগর দেব (কুমিল্লা), এএসআই সঞ্জীব দত্ত (পেকুয়া), বরখাস্ত ওসি প্রদীপের ভাগিনা এসআই মিঠুন চক্রবর্তীকে কক্সবাজার ডিএসবি পুলিশে বদলি করা হয়েছে। আর অন্যরা বিভিন্ন জায়গায় বদলি হওয়ার জন্য তদবির করছেন।তবে এই তিন পুলিশ সদস্যকে টেকানফ থানা থেকে বদলির পর দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।চট্টগ্রাম মহানগর টিআইবি-সনাক সভাপতি অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী জানান,

’প্রদীপ যখন ক্রসফায়ার করেছে, লাখ লাখ টাকা নিয়েছে তখন কিন্তু সে একা ছিল না। তার সঙ্গে অন্য অনেক কর্মকর্তাও ছিল। তারাও এই কাজের ভাগিদার। ওই কর্মকর্তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম জানাম, একটা নিয়মের মধ্য দিয়ে তদন্ত হচ্ছে। র‌্যাবকে এখম দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া সরকার সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে একটা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এসময় তিনি আরো বলেন যার নাম আসুক তারা তার শান্তি নিশ্চিত করবেন।সূত্রঃ বিডি২৪লাইভ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *