‘চাচার মুণ্ডুবিহীন দেহ ঝুলিয়ে রাখেন কিম’

জাতীয়

দুর্নীতি এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে নিজের চাচার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর মুণ্ডুবিহীন মরদেহ সরকারি অফিসের সামনে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিতে তিনি এমন নৃশংস শাস্তি চাচা জ্যাং সং

থায়েককে দিয়েছিলেন; যাকে উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থার অত্যন্ত ক্ষমতাশালী হিসেবে দেখা হতো।ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানী সাংবাদিক বব উডওয়ার্ডকে এসব তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন এই প্রেসিডেন্টকে নিয়ে লেখা বব উডওয়ার্ডের বই ‘রেইজ’-এ ঠাঁই পেয়েছে এসব তথ্য। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর বইটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।ট্রাম্প বলেছেন, কিম জং উন আমাকে

সবকিছু বলেছেন। আমাকে সব বলেছেন। তিনি নিজের চাচাকে হত্যা করেন এবং মরদেহ সবার সামনে ঝুলিয়ে রাখেন। দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সতর্ক করতে সরকারি ভবনের সামনে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ট্রাম্পকে জানান কিম।মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট বলেন, মাথা শরীর থেকে কেটে ফেলা হয়েছিল এবং সেটি বুকের ওপর রাখা হয়। তবে কিম জং উনের চাচার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যাপারে উত্তর

কোরিয়া কখনই আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দেয়নি। যদিও বেশ কিছু গণমাধ্যমের খবরে বিমানবিধ্বংসী বন্দুক ব্যবহার করে তাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।২০১৩ সালে দুর্নীতি এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে কিম জং উন তার চাচা চাচা জ্যাং সং থায়েক-কে হত্যা করেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *