চুমু খেয়ে কুরআন অবমাননার প্রতিবাদ করলেন সুইডিশ নারী

জাতীয়

সুইডেনে পবিত্র কুরআন পোড়ানো এবং ফ্রান্সের শার্লি এবদো পত্রিকায় কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে এক সুইডিশ নারী কুরআন শরীফে চুমু খেয়েছেন। আর এ চুমু খাওয়ার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় সুইডেনের মালমো শহরে সংঘটিত কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে ওই নারী কোরআন চুমু খান। আর বলেন, ‘সুইডিশ

নারী মালমো শহরের মুসলিমদের সঙ্গে একত্বতা ঘোষণা করেছে।’ফেসবুক পেজে বলা হয়, ওই নারী বলছে, ‘আমি জানি না বইটি কি সম্পর্কে। কিন্তু মানবতা ও অনুকম্পার জন্য আমি তোমাদের সঙ্গে একাত্বতা ঘোষণা করছি। বইটি যেহেতু তোমাদের কাছে গুরুত্ব, তাই আমার কাছেও তা গুরুত্বপূর্ণ। বইটি চুমু দিয়ে আমি গর্বিত।’সুইডিশ নারী আরো বলেন,

‘ডেনিশ ব্যক্তি সুইডেনে যা করেছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই।’সুইডেনের পত্রিকা নারীটির ছবি প্রকাশ করলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবার দৃষ্টি কাড়ে।গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সুইডেনের মালমো শহরে কট্টরপন্থী ডেনিশ দল হার্ড লাইনের তিন সদস্য কুরআন পুড়িয়ে অবমাননা করা হয়।সূত্র : আল মুজতামা।

আরও পড়ুন=নিউ ইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোসে রোববার ২০তম বাছাই স্পেনের পাবলো কারেনো বুস্তার বিপক্ষে শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে প্রথম সেটে ৬-৫ গেমে পিছিয়ে পড়ে একটু বেশিই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন জোকোভিচ। যেন নিজের প্রতি বিরক্ত হয়ে পকেট থেকে একটি বল বের করে পেছনের দিকে হিট করেন, যা গিয়ে লাগে এক লাইন জাজের গলায়।সঙ্গে সঙ্গে বসে পড়তে দেখা যায় ওই নারী লাইন জাজকে, দ্রুত তার দিকে এগিয়ে যান জোকোভিচ এবং ক্ষমা চান। একটু পর সুস্থ হয়ে উঠে দাঁড়ান ওই ম্যাচ অফিসিয়াল।তবে, অঘটন যা ঘটার তা তো ঘটেই গেছে। অনেকক্ষণ ধরে টুর্নামেন্ট রেফারির সঙ্গে কথা বলেন জোকোভিচ। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী শাস্তি এড়াতে পারেননি তিনি, ছিটকে যান টুর্নামেন্ট থেকে।

গ্র্যান্ড স্ল্যামের আইন অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় কোনোভাবেই কোনো সময়েই অফিসিয়াল, প্রতিপক্ষ, দর্শক বা টুর্নামেন্টের এরিয়ার মধ্যে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবেন নরু২০২০ সালে একটি ম্যাচও না হারা জোকোভিচের এবারের ইউএস ওপেন জয়ের দারুণ সম্ভাবনা ছিল। অনিচ্ছাকৃত ভুলে যা শেষ হয়ে গেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *