নতুন ও পুরোনো রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষে: আহত ৭

জাতীয়

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে নতুন ও পুরোনো রোহিঙ্গাদের দুটি দলের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিকারুজ্জামান চৌধুরী।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও কয়েকজন রোহিঙ্গানেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইয়াবা পাচারকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা শিবিরের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এর জের ধরে রোববার এ সংঘর্ষ বাধে। প্রথমে থেমে থেমে ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

পরে তা দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০টি ঝুপড়ি এবং পানি সরবরাহের বেশ কয়েকটি ট্যাংক ভাঙচুর করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহত সাতজনকে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) পরিচালিত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। আহত ব্যক্তিদের নাম–পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কক্সবাজারের ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. আতিকুল রহমান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।আরও পড়ুনঃঅনুশীলনে বিরাট কোহলি ও জিমি অ্যান্ডারসন। ছবি: এএফপিকদিন আগেই টেস্ট ক্রিকেটে ৬০০ উইকেটের অবিশ্বাস্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ইংলিশ পেসার জিমি অ্যান্ডারসন। এবার আগামী বছরে ইংল্যান্ড দলের ভারত সফরে চোখ অ্যান্ডারসনের। ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির বিপক্ষে লাল বলের লড়াইয়ের অপেক্ষায় আছেন আধুনিক ক্রিকেট এই কিংবদন্তি।‘অ্যান্ডারসন-কোহলি’ লড়াইয়ের শুরু সেই ২০১৪ সাল থেকে। কোহলির প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড সফরে এসে বুঝেছিলেন নিজের আঙিনায় অ্যান্ডারসন কতটা ভয়ংকর। ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১০ ইনিংস খেলে মাত্র ১৩৪ রান করেছিলেন কোহলি।

এর মধ্যে চারবারই অ্যান্ডারসনের শিকার হন কোহলি।তবে বড় ক্রিকেটার নিজের দুর্বলতাকে শক্তিতে পরিণত করে। কোহলিও তাই করেছেন। ইংল্যান্ড সফর থেকে ফিরে ব্যাটিং কৌশল নিয়ে কাজ করেছেন শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে। কয়েক মাসের মাথায় সম্পূর্ণ ভিন্ন কোহলিকে দেখা যায় অস্ট্রেলিয়া সফরে। তবে অ্যান্ডারসন পরীক্ষার কোহলি কেমন করেন, সেটি দেখতে ক্রিকেট ভক্তদের অপেক্ষা করতে হয় ২০১৮ সাল পর্যন্ত।চার বছর পর ইংল্যান্ড সফরে এসে অধিনায়ক হিসেবে সিরিজ হারলেও ব্যাট হাতে কোহলি ছিলেন সিরিজের সেরা।

১০ ইনিংসে করেছেন ৫৯৩ রান, দুটি সেঞ্চুরি ও তিনটি ফিফটি। পুরো সিরিজ জুড়ে সিম ও সুইংয়ের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স করেন কোহলি।৩৮ বছর বয়সী অ্যান্ডারসন এখন আরেক দফা কোহলির মুখোমুখি হতে চান। সেটাও আবার কোহলির দেশের মাটিতে। সম্প্রতি টেস্ট ম্যাচ স্পেশালের পডকাস্টে তিনি বলেছেন, ‘কোহলির মানের ব্যাটসম্যানদের বল করা সব সময়ই কঠিন। ২০১৪ সালে কিছু সাফল্য পেয়েছি ঠিক আছে, তবে ২০১৮ সালে সে দারুণভাবে ফিরে এসেছে। আমার মনে হয়েছে ২০১৪’র তুলনায় বল বেশি ছেড়ে খেলেছে।

২০১৪ সালে আমি আউট সুইং করলে সে তাড়া করতে যেত। পরেরবার সেটা করেনি। অপেক্ষা করেছে কখন আমি তাঁর শক্তি জায়গা, প্যাডে বল করি। সেদিক থেকে সামনের লড়াইটা কঠিন হবে। তবে আমি এটাই উপভোগ করি। বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের আমি আউট করতে চাই।’ভারতের কন্ডিশনে আবার ইংল্যান্ডের ডিউক বল, সিম ও সুইং পাবেন না অ্যান্ডারসন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই তিন অস্ত্রের সবচেয়ে ভালো ব্যবহার অ্যান্ডারসনই করেছেন। ভারতের এসজি বল নতুন বলে কিছুটা সুইং করবে, এরপর ভাগ্য ভালো থাকলে ৩০-৪০ ওভারের পর রিভার্স

সুইং। এর বাইরে ম্যাচে টিকে থাকতে অ্যান্ডারসন কাটার ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন, ‘আমরা ভারতে আগেও সাফল্য পেয়েছি। আমরা বলের সিমের পাশে আঙুল ঘুরিয়ে সফল ছিলাম। সেখানকার শুকনো উইকেটে বল কিছুটা থেমে আসবে। এমন দক্ষতা থাকলে ভালো। আমরা ভারতে বল করা উপভোগ করি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *