নাগরিকত্ব আইন না মানার ঘোষণা দিলো আরও ৫ মুখ্যমন্ত্রী

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে ভারতে সদ্যপ্রণীত মুসলিম বিরোধী বিতর্কিত নাগরিকত্বআইন না মানার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পর দিল্লি, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, কেরালা ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবারপশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এই গণআন্দোলনের ডাক দেন।এরপর একে একে এই আইন না মানার হুমকি দেন আরও ৫ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীরা বিজেপি সরকারের বিতর্কিত এই নাগরিকত্ব প্রদান সংক্রান্ত আইন কোনোভাবেতাদের রাজ্যে প্রয়োগ করতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন। এমনকি মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সরকারের শরিক কংগ্রেসের এক মন্ত্রীও

আইনটি রাজ্যে প্রয়োগ করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেন। তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া এবংকংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলো থেকে একযোগে প্রতিবাদের ডাক ওঠায় আজ শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটিকেন্দ্রীয় আইন। তাই ওই আইন সব রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে। কোনও রাজ্য সরকারের তা আটকানোর অধিকার নেই।

আরো পড়ুন:মাত্র ২ কিলোমিটার দূরে হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে গেলো ছাত্রলীগ নেতা:কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাঘমারা উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন মির্জা হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে গেছেন।বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) নিজগ্রাম দুতিয়াপুর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে পার্শ্ববর্তী চন্ডিপুর গ্রামে বিয়ে করেন তিনি। বিয়েতে বরযাত্রী ছিলেন প্রায় ৩০০ জন। বিকেল পৌনে ৩টায় মা ও ছোটভাইকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে শ্বশুরবাড়িতে রওনা হন নাছির। সেখানে পৌঁছে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে কনেকে নিয়ে হেলিকপ্টারে ফিরে আসেন বর।

এদিকে, একজন ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা হয়েও হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের বিষয়টি এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। স্থানীয় সূত্র জানায়,লালমাই উপজেলার দুতিয়াপুর গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে ও বাঘমারা উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন মির্জা বুধবার বরুড়া উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের আবদুল

মান্নানের মেয়ে জান্নাতুল মাওয়া প্রিয়াকে বিয়ে করেন। দুতিয়াপুর থেকে চন্ডিপুরের দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার। কিন্তু এতটুকু পথ পাড়ি দিতেই হেলিকপ্টার ভাড়া করে এনেছেন বর নাছিরউদ্দিন মির্জা। এরপর বিকেল পৌনে ৩টায় মা ও ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে শ্বশুরালয়ে পৌঁছান নাছির। এক ঘণ্টার মধ্যেই বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে কনেকে সঙ্গেনিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন বর। এ বিষয়ে বাঘমারা উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী বলেন, শখের বশেই হেলিকপ্টারটি ভাড়া করে আনা হয়েছে। বরের বাড়িথেকে কনের বাড়ির দূরত্ব তো অনেক কম। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়েছে।বর তার মা ও ভাইকে নিয়ে কনের বাড়িতে গেছেন। তিনি বলেন, বিয়েতেবরযাত্রী প্রায় ৩০০ জন ছিল। বর হেলিকপ্টারে গেছেন, আমরা মাইক্রোবাস আর বাইকে গেছি। বৃহস্পতিবার বৌ-ভাতের অনুষ্ঠান হবে। বিয়েতে উকিল হয়েছেন সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার।

Leave a Comment