পুলিশ অফিসারদের ৩২ লাখ টাকা মেরে দিলেন জুনিয়র আশরাফুল!

জাতীয়

জাতীয় দলের খেলোয়াড়, পুলিশ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে অভিনব প্রতারণা করেছে একটি চক্র। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মকর্তারা হয়েছেন তার প্রতারণার শিকার। ওই চক্রের এক জনকে গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, চমকপ্রদ এসব তথ্য। যা তুলে ধরেছে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেল।

এই চক্রের সদস্য আশরাফুল আলম উজ্জ্বল ওরফে জুনিয়র আশরাফুল। একজন ক্রিকেট ভক্ত হিসেবে যোগাযোগ ছিল জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে। আর তাদের সঙ্গে তোলা ছবি দিয়েই প্রতারণা করতেন জুনিয়র আশরাফুল। নিজেকে অনূর্ধ্ব ১৯ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হিসেবে পরিচয় দিতেন এই প্রতারক।করোনার সময় জুনিয়র আশরাফুল জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মেহরাব হোসেন অপির নাম ভাঙ্গিয়ে টেস্ট ড্রাইভের কথা বলে জাপান মটরস লিমিটেড থেকে একটি গাড়ি নিয়ে যান। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার নাহিয়ান সেসময় ধরতেই পারেননি প্রতারণার বিষয়টি।

তিনি বলেন, টেস্ট ড্রাইভ নেওয়ার এক ঘন্টা পর থেকে তার মোবাইল নম্বর আমি বন্ধ পাই। চারদিন পরে সে রেসপন্স করলো এবং আমি জানতে পারলাম, তার ভাবি মারা গেছে। এরপর পঞ্চম দিন জানতে পারলাম তার ভাবী এবং ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। আর যে ভাইয়ের নামটা বলেছিল সেটাও মিথ্যা ছিল।কেউ যদি আপনার নাম ভাঙ্গিয়ে এই ধরনের প্রতারণা করে তাহলে আপনি বিব্রত কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রিকেটার মেহরাব হোসেন অপি বলেন, কোন সময় হইনি তবে এরকম করে থাকলে তো অবশ্যই হব।

এ বিষয়ে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, ছবি তুলে সে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করত, সে বিষয়টি আমি জানতাম না।ডিএমপির ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার রাকিবুল হাসান বলেন, আমাকে ফোন দিয়েও সে বলেছে, আমি মোহাম্মদ আশরাফুল বা জুনিয়র আশরাফুল বলছি। তার দেওয়া হিসাব মতে পুলিশ অফিসাররাই তার কাছে ৩২ লাখ টাকা পাবে। সাবেক খেলোয়াড়রা পাবে দুই কোটি টাকা। এটা সে নিজেই স্বীকার হয়েছে। তবে আমরা এখনো এটি যাচাই-বাছাই করে শেষ করতে পারিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *