প্রতিদিন সাড়ে ৪ কোটি টাকা লোকসান গুনছে রেল

জাতীয়

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গত ২৪ মার্চ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ওই সময়ে কিছু পণ্যবাহী ট্রেন চলে। বর্তমানে যাত্রীবাহী যেসব ট্রেন চলছে, সেখানেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে গিয়ে আসন ফাঁকা রাখতে হচ্ছে। প্রতিটি ট্রেনের আসনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হয়, যার পুরোটাই দেওয়া হয় অনলাইনে।

এ কারণে কমে গেছে রেলের আয়। ফলে করোনার জেরে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেলের আয় কমে গেছে প্রায় ৩৯০ কোটি টাকা। প্রতিদিন আয় কমেছে সাড়ে ৪ কোটি টাকা।জানা যায়, বর্তমানে ট্রেনের সব ধরনের টিকিট অনলাইনে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। স্টেশনগুলোয় কোনো টিকিট বিক্রি করা হয় না।

এতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না ও কিছুটা কম শিক্ষিত বা অশিক্ষিত তারা ট্রেনের টিকিট কেনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আবার করোনার কারণে ট্রেনের মোট আসনের অর্ধেক টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে আয়ও কম হচ্ছে।

সূত্র জানায়, করোনায় ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ৩১ মে প্রথম দফায় আট জোড়া ট্রেন চালু হয়। ৩ জুন দ্বিতীয় দফায় আরও ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেনের চলাচল বাড়ে। তবে কিছু দিন পর যাত্রী সংকটে দুই জোড়া ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ ২৭ আগস্ট থেকে চালু হয় ১৮ জোড়া। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১৯ জোড়া ট্রেন রেলের বহরে যুক্ত হবে। করোনায় রেলের যাত্রী,

মালামাল পরিবহনের পরিমাণও কমছে। যাত্রী পরিবহনে আয় কমেছে ৩১ শতাংশ। পণ্য পরিবহনে আয় কমেছে ১৬ শতাংশ। তা ছাড়া কনটেইনার পরিবহনে ২০ শতাংশ ও পার্সেল পরিবহনে ৩৩ শতাংশ আয় কমেছে।রেলওয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান এ বিষয়ে এক জাতীয় দৈনিককে বলেন, করোনায় ২৫ মার্চ থেকে ট্রেন বন্ধ।

ট্রেন বন্ধ থাকায় দিনে সাড়ে ৪ কোটি টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে রেল। এখন স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে কিছু ট্রেন চলছে। পর্যায়ক্রমে ট্রেনের সংখ্যা বাড়বে। তবে আয় কমছে এটিই সঠিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *