প্রিজন ভ্যানে ওসি প্রদীপের কতিথ ফোনালাপের ভিডিও ভাইরাল

জাতীয়

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডে রিমান্ডে থাকা মামলার প্রধান আসামী লিয়াকত আলী ও আরেক আসামী বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাসের কথিত ফোনালাপের একটি ভিডিও রেকর্ড সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ধারণ করা ওই ভিডিওতে প্রিজন ভ্যানে বসে মোবাইল ফোনে তাদের র‍্যাবের হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করতে দেখা যাচ্ছে।

সম্প্রতি কক্সবাজার আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে লিয়াকত আলী ও প্রদীপ কুমার দাশের ফোনালাপের একাধিক ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই ভিডিওগুলোতে তারা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে নালিশের সুরে এসব অভিযোগ করেন।এদিকে, ভিডিওগুলো প্রকাশ করায় সমালোচনায় তোলপাড় চলছে। রিমান্ডে থাকা চাঞ্চল্যকর একাধিক হত্যা মামলার আসামীরা কিভাবে প্রিজন ভ্যানে বসে মোবাইলে কথা বলার সুযোগ পেলেন এবং সেই ভিডিওই বা কারা ধারণ করলেন?- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ বলছেন, মানুষের সহানুভূতি পেতে পরিকল্পিতভাবে ফোনালাপের নাটক সাজিয়ে ভিডিওগুলো ধারণ এবং প্রকাশ করা হয়েছে।

ফেসবুকে ইয়ার মোহাম্মাদ লিখেছেন, ‘‘এইটা একটা সাজানো নাটক। সবাইর চোখ ফাঁকি দিচ্ছে ইমোশনাল মাল্টি ট্যালেন্ট পরিকল্পনা করে।যদি ওদের এতটাই শাস্তি দিতো,তাহলে মোবাইলে কারাগারের ভিতর কিভাবে কথা বলে, আর ওদের দেইখা বা কথা শুনে মনে হচ্ছে না যে ওদের উপর ট্রর্চার করা হয়েছে,! এইটা শিখানো একটা অভিনয় শুধু মাত্র। ভিডিওটা ভাল করে দেখলেই সকলে বুঝতে পারবেন।’’

আব্দুল্লাহ আল-মামুন লিখেছেন, ‘‘এটা একটা সাজানো নাটক, যারা এটা বিশ্বাস করে তারা বোকার সাথে বাঁশ করে,জীবনে কখনো দেখিনাই যে রিমান্ডে ভিডিও ভাইরাল হয়, এটা কেন করছে জানেন? তাকে যে রিমান্ডে নামে জামাই আদর করতেছে জনগণ বুঝতে পেরেছে, এজন্য এই ভিডিও টা ছাড়া হয়েছে যে, তাকে রিমান্ডে নিয়ে খুব অত্যাচার করতেছে এটা জনগণকে বোঝানোর জন্য, ধোকা দিয়ে বোকা বানাচ্ছে।’’

মীর মোঃ শামিম হাসান লিখেছেন, ‘‘ওরা ফোন কোথায় পেল? কার সাথে ওরা কথা বলছে কথা বলছে সকল তথ্য বের করে সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আর না হলে তাদের কিছু হবে না তারা দুদিন পরে বের হয়ে আসবে। আরো ৪ গুণ মানুষ হত্যা করবে। ওদের পিছনে কোন অপশক্তি আছে সব কিছু খুঁজে বের করার জন্য আমরা সকলে জোরালো আবেদন করতে পারি। আর না হলে কঠিন আন্দোলন করে মাঠে নেমে যেতে হবে।’’মোঃ রাইহান লিখেছেন, ‘‘এটা একটা পরিকল্পিত নাটক। আমাদের দেশের ছোট ছোট্ট বাচ্চারা এইসব নাটক করে। এই …বাচ্চাকে মোবাইলে কথা বলার সুযোগ কে দিলেন আর কার সাথে কথা বলল এদেরকে আইনের আওতায় আনা হউক। দেশে আইন আছে প্রয়োগ না-ই।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *