প্রেমিকের পর নাতিকে ধ’র্ষণ করেন নানা, মিলছে না শি’শুর পিতৃপরিচয়

জাতীয়

বগুড়ার ধুনটে একাধিক ব্যক্তির ধ’র্ষণের শি’কার হয়ে স্কুলছাত্রীর জন্ম দেওয়া স’ন্তানের পিতৃপরিচয় মিলছে না। শি’শুর পিতৃপরিচয় সনাক্তে করতে তৃতীয় দফায় ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আ’দালতের আদেশে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ওই স্কুলছাত্রী ও তার

স’ন্তান এবং ধ’র্ষককে ঢাকা সিআইডির সদর দপ্তরে ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। এর আগে নানা-নাতির বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের অ’ভিযোগ ওঠার পর ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু ডিএনও প্রতিবেদনে দেখা যায়, ওই নানা-নাতির ডিএনএর সঙ্গে স্কুলছাত্রীর জন্ম নেয়া স’ন্তানের ডিএনএ মিলছে না।

ফলে ওই স্কুলছাত্রীর দেয়া তথ্য মতে একই এলাকার আবু তালেবের ছেলে রাকিব হোসেনকে গ্রে’ফতার করে পুলিশ। তৃতীয় দফায় রাকিব হোসেনসহ স্কুলছাত্রী ও তার স’ন্তানের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়েছে। জানা যায়, ধ’র্ষণে জন্ম নেয়া স’ন্তানের মা স্কুলছাত্রী ধুনট উপজে’লার বাসিন্দা। ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল বিকেলে প্রেমিক বকুল মেয়েটির ঘরে ঢুকে ধ’র্ষণের সময় ধরে ফে’লেন নানা। ঘটনাটি প্রকাশ করার ভ’য়

দেখিয়ে একই সময় নানা রশিদ মণ্ডলও নাতনিকে ধ’র্ষণ করেন। ধ’র্ষণে মেয়েটি অ’ন্তঃসত্ত্বা হলে তার বাবা বা’দী হয়ে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর মা’মলা করেন। ওই মা’মলায় মেয়েটির নানা রশিদ মণ্ডল ও তার নাতি বকুল হোসেনকে আ’সামি করা হয়। এ অবস্থায় ধ’র্ষণের শি’কার স্কুলছাত্রী ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি পুত্র স’ন্তানের জন্ম দেয়।

ন’বজাতকের জন্মদাতার পরিচয় সনাক্ত করতে নানা রশিদ ও বকুলের ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়। কিন্তু এতে পরিচয় মেলেনি। পরিবর্তীতে আ’দালতে হাজির করা হলে স্কুলছাত্রী পুনরায় রাকিব হোসেনের নাম প্রকাশ করেন। ধুনট থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর জানা যাবে ধ’র্ষণে জন্ম নেয়া শি’শুটির পিতৃপরিচয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *