বঙ্গবন্ধুর মৃ’ত্যুর সময়ের চশমাটি আমার বাবার দেয়া: ওমর সানী

জাতীয়

বাংলা চলচ্চিত্রের একজন সফল পরিচালক হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত মালেক আফসারী। ১৯৮৩ সালে ‘ঘরের বউ’ পরিচালনার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি।এই করোনাকালীন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মালেক আফসারীর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। নিয়মিত তিনি তার ফেইসবুক পেইজ থেকে লাইভে আসেন। সেখানে প্রায়শই নিয়ে আসেন দেশের খ্যাতিমান অভিনেতা-অভিনেত্রীদের।মঙ্গলবার (১ আগস্ট) তার লাইভে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী। লাইভের শুরুর

দিকে মালেক আফসারী ওমর সানীর কাছে জানতে চান তার শৈশবের কথা। এ সময় ওমর সানী মহান আল্লাহ কাছে শুকরিয়া আদায় করে মালেক আফসারীর প্রশংসা করেন।এ সময় ব্যাক্তিগত প্রসঙ্গ টেনে নিজেকে মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি তার বাবার কথা স্মরণ করে জানান, তিনি চশমার দোকানে চাকরি করতেন। এ সময় আবেগ আপ্লুত হয়ে ওমর সানী তার বাবার স্মৃতিচারণ করতে

গিয়ে জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সময় যে চশমাটা তার চোখে ছিল সেটা আমার বাবার হাতে দেওয়া ছিল।উল্লেখ্য, ওমরসানীর বাবার নাম ছিল মো. মজিবর রহমান। ফখরুল হাসান বৈরাগীর ‘অগ্নিপথ’, আফতাব খান টুলুর ‘আমার জান’, নূর হোসেন বলাইয়ের ‘এই নিয়ে সংসার’ ছবিগুলোতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ১৯৯০ সালের দিকে প্রথম শুটিং করেন ওমর সানী।তবে তার প্রথম ছবি ‘চাঁদের আলো’ মুক্তি পায়

১৯৯৩ সালে। শেখ নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই ছবিতে তার নায়িকা হিসেবে ছিলেন অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে মুক্তি। নতুন দুই মুখ নিয়ে নির্মিত ছবিটি বেশ ভালোই সাড়া ফেলেছিলো দর্শকের মধ্যে।তবে এ ছবির ‘তুমি আমার চাঁদ আমি চাঁদেরই আলো’ গানটি আকাশ ছুঁয়েছিলো

জনপ্রিয়তায়। আজও সেই গান অনেকেই গুনগুন করে গেয়ে উঠেন প্রিয় মানুষটির সঙ্গে রোমান্টিক মুহূর্তে। এরপর তিন দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় ১৭০টির মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন ওমর সানী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *