বছরে প্রায় ৩ হাজার মানুষ পবিত্র ইস’লাম গ্রহণ করছে নরওয়েতে

জাতীয়

নরওয়েতে নাগরিকদের মাঝে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইস’লাম গ্রহণের হার বৃ’দ্ধি পেয়েছে বলে দেশটির প্রভাবশালী দৈনিক ভা’রডেনস গ্যাঙ্গে (Verdens Gang) এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল স্টাডিজ অ্যান্ড অরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের একজন গবেষকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিবছর প্রায় তিন হাজার করে নরওয়েজিয় নাগরিক ইস’লাম গ্রহণ করছে।যা ১৯৯০ সালের দিকে বছরে পাঁচশত জনের হার থেকে কয়েকগুণ বেশি। এছাড়া পূর্বে নরওয়েজিয় নারীদের মাঝে মু’সলিম পুরুষদের

বিবাহ করার জন্য ইস’লাম গ্রহণের একটি প্রবণতা থাকলেও বর্তমানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়,“বর্তমানে নারীরা ইস’লাম স’ম্পর্কে পরিপূর্ণ অধ্যয়ন ও গবেষণার পর ইস’লাম গ্রহণ করছে।” ইস’লাম গ্রহণকারী নরওয়েজিয় নারী মনিকা সালমুক জানান, চার বছর পূর্বে বিভিন্ন ধ’র্ম স’ম্পর্কে গবেষণা ও বিভিন্ন গ্রন্থ অধ্যয়নের পর তিনি ইস’লামকে নিজের জন্য গ্রহণ করে নিয়েছেন।৪২ বছর বয়সী নরওয়েজিয় নারী সোলভা নাবিলা স্যাক্সেলিন জানান, নরওয়েতে আশ্রয় নেওয়া মু’সলিম শরণার্থীদের সাহায্য করতে গিয়ে তাদের কাছ

থেকে তিনি ইস’লাম গ্রহণ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। ১৯৬০ এর দশকে প্রথম নরওয়েতে মু’সলমানদের অবস্থান দৃশ্যমান হতে থাকে।১৯৭৪ সালে রাজধানী অসলোতে প্রথম ম’সজিদ স্থাপিত হয়। বর্তমানে নরওয়েতে মু’সলমানরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ধ’র্মীয় জনগোষ্ঠী। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে মোট জনসংখ্যার ২.৩ শতাংশ মু’সলমান।

আরও পড়ুন =বার্সেলোনা-মেসি আলোচনার প্রথম ধাপে মেলেনি কোনো সমাধান; তবে ওই ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ আলোচনার পর ঘটনাপ্রবাহ নাটকীয় মোড় নিতে শুরু করেছে। অন্তত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে তেমনটাই বলা হচ্ছে; অনড় অবস্থা থেকে নাকি সরে আসতে শুরু করেছেন লিওনেল মেসি। তাতে আগামী মৌসুমে তার কাম্প নউয়ে থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে।মেসি বার্সেলোনা ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানানোর

পর ক্লাব ও খেলোয়াড়ের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। অচলাবস্থার ইতি টানতে বুধবার আলোচনায় বসে দুই পক্ষ।আর্জেন্টাইন তারকার পক্ষে আলোচনায় ছিলেন তার বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসি, ভাই রদ্রিগো এবং একজন আইনজীবী। প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থায়ী মিটিংয়ে কাতালান ক্লাবটির পক্ষে ছিলেন সভাপতি জোজেপ মারিয়া বার্তোমেউ ও কর্মকর্তা হাভিয়ে বোর্দাস।আলোচনার এই পর্বে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি বলে গণমাধ্যমে খবরে বলা হয়। অবশ্য পরবর্তীতে আবারও তারা বসতে পারেন, এর জোরালোইঙ্গিতও মিলেছে।চুক্তির একটি ধারা কার্যকর করে

ফ্রি ট্রান্সফারে কাম্প নউ ছাড়তে চান মেসি। তবে বার্সেলোনার দাবি, ওই ধারা কার্যকর করার মেয়াদ গত ১০ জুনে শেষ হয়ে গেছে।ফলে চুক্তি অনুযায়ী হয় তাকে থাকতে হবে ২০২০-২১ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত, নয়তো পরিশোধ করতে হবে রিলিজ ক্লজের পুরো ৭০ কোটি ইউরো।আর্জেন্টিনা থেকে বুধবার বার্সেলোনায় পৌঁছানোর পর মেসির বাবা মন্তব্য করেন, তার ছেলের ক্লাব বার্সেলোনায় থাকা কঠিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *