বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে করলেন ইতালির পুলিশ

Creation Fashion

অবশেষে দীর্ঘদিনের প্রেমের ইতি টেনে ইতালির এক মিলিটারি পুলিশ কর্মকর্তা সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন বাংলাদেশি তরুণী। গতকাল সোমবার দক্ষিণ ইতালির কাম্পানিয়া বিভাগের সালের্নো প্রভিন্সের মাইওরি পৌর এলাকায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সুমাইয়ারা ও দোমেনিকো তামবুররিনো।স্থানীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে,

তুরিন সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত অবস্থায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ২৫ বছর বয়সী সুমাইয়ারার সঙ্গে প্রথম পরিচয় ঘটে দোমেনিকোর। ভালো লাগা থেকে তাদের ভালোবাসা অবশেষে বিয়ে।বর দোমেনিকো ইতালির মিলিটারি পুলিশ “ক্যারাবিনিয়ারি”তে কর্মরত একজন দক্ষ মার্শাল। ইতালিতে ক্যারাবিনিয়ারী পুলিশকে ‘ক্রিমিনাল পুলিশ’ বলা হয় যারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ড করেন দেশের জন্যে।বিয়ের অনুষ্ঠানে বর দোমেনিকো তার বিখ্যাত বাহিনীর গৌরবের ইউনিফর্ম পরিধান করেন আর লাল রঙের শাড়িতে বাজিমাত করেন বাংলাদেশি বধূ সুমাইয়ারা। ইতালীয় বিভিন্ন নিউজ পোর্টাল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় পঞ্চমুখ এই নবদম্পতি।

ইতালীয়-বাংলাদেশি ভিন্ন দুই সংস্কৃতির মেরুতে অবস্থান করেও প্রেমের টানে আপন করে নিলেন দুজনকে।স্থানীয়রা বলছেন, এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি নারী ইতালীয় পুলিশকে বিয়ে করে একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।এদিকে মহামারি করোনার কারণে ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা থাকায় কনের পরিবারের কেউই বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে আসতে পারেননি। তবে এই পরিবারের দেশের বাড়ি কোথায় তা জানা যায়নি।

আরও পড়ুন=পার্বত্য জেলা বান্দরবান আবারো পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দীর্ঘ সাত মাস বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধ ছিল। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল বান্দরবানের সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত। তবে পরিস্থিতি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হওয়ায় জেলার সবগুলো পর্যটনকেন্দ্র এখন খুলে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে চিম্বুক পাহাড়ের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র নীলগিরি। এর আগে বান্দরবান শহরের কাছে নীলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক, চিম্বুক, নীল দিগন্ত সহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয় প্রশাসন। এছাড়া জেলার রোয়াংছড়ি, রুমা, থানছি, আলীকদম সহ এসব এলাকার পাহাড়ি ঝরনা গুলোতেও পর্যটকের আগমন বেড়েছে। পর্যটকদের আগমন বাড়ায় আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থনৈতিক খাতটি।

তবে পর্যটক ব্যবসায়ীরা বলছেন এখনো পরিস্থিতি পূর্বের মত স্বাভাবিক হতে আরো বেশকিছু সময় লাগবে। যে তুলনায় পর্যটক আসছে তা স্বাভাবিক নয়। তবে পর্যটকের সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। দেশের অন্যান্য জায়গায় বান্দরবানের আগে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় প্রশাসন এযাবত বন্ধ রেখেছিল বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রগুলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *