বাংলাদেশের সমর্থন চায় পাকিস্তান

জাতীয়

চলতি বছরের আগামী নভেম্বরে হতে যাচ্ছে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন -আইপিইউ’র প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন। এবার বৈশ্বিক আন্তঃসংসদীয় ওই ফোরামে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন পাকিস্তান সিনেটের চেয়ারম্যান সিনেটর মুহাম্মদ সাদিক সানজরানি। তার পক্ষে সমর্থন চেয়ে বাংলাদেশকে চিঠি লিখেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাখদুম শাহ মাহমুদ কোরেশী।সংস্থাটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েলা কিউভাস ব্যারন। তিনি মেক্সিকোর পার্লামেন্টের সিনেটর। এর আগে এই পদে দায়িত্বে ছিলেন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের শেষ দিকে (২৭ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে লেখা চিঠিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাখদুম শাহ মাহমুদ কোরেশী বলেছেন, ‘দুই দেশের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও বহুপক্ষীয় ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্পর্কের ভিত্তিতে পাকিস্তান আশা করে, আইপিইউ’র প্রেসিডেন্ট পদে ইসলামাবাদের মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ সাদিক সানজরানিকে বাংলাদেশ সমর্থন দেবে।’

বাংলাদেশকে দেয়া ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, পাকিস্তান সংসদের উভয় কক্ষই আইপিইউ’র প্রেসিডেন্ট পদে সিনেটর মুহাম্মদ সাদিক সানজরানিকে মনোনয়ন দিয়েছে।আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর আইপিইউ’র পরিচালনা পর্ষদের ২০৬তম সেশনের সভা (ভার্চুয়াল সভা) অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা থেকে আইপিইউ’র প্রেসিডেন্ট পদে ভোট হবে।

তবে, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান জানা যায়নি।১৮৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ছিল প্রথম রাজনৈতিক সম্পর্ক আলোচনার জন্য স্থায়ী ফোরাম। প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি ছিল স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের জন্য, কিন্তু পরে সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের সংসদের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে।

বিশ্বের ১৭৮টি দেশের জাতীয় সংসদ ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের সদস্য এবং ১২টি আঞ্চলিক সংসদীয় মজলিস এটির সহযোগী সদস্য। সংগঠনের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল দ্বন্ধের সালিশি করা। আইপিইউ হেগে একটি স্থায়ী সালিশি আদালত প্রতিষ্ঠা করে যেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।এটির লক্ষ্য হচ্ছে গণতন্ত্র ও আন্তঃসংসদীয় সংলাপের প্রসার ঘটানো। আন্তঃসরকারী প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য আইপিইউ কাজ করে যাচ্ছে, এর মধ্যে জাতিসংঘ, একটি সংগঠনের সাথে যেটি সহযোগিতা করবে এবং যার স্থায়ী পর্যবেক্ষকের মর্যাদা রয়েছে। সংস্থাটির সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *