বিশ্বের প্ৰথম করোনা ভ্যাকসিন রাশিয়ার! টিকা নিলেন পুতিন কন্যা

জাতীয়

করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারে বাজিমাত করে ফেলল রাশিয়া! রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা দিয়েছেন, তার দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে।ইতোমধ্যেই স্বয়ং পুতিনের কন্যা ওই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে রাশিয়ার গণমাধ্যম।মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবন করা ওই ভ্যাকসিন মঙ্গলবার রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত

পেয়েছে বলে জানিয়েছেন পুতিন।করোনাকালে দীর্ঘদিন ধরেই ভ্যাকসিন বাজারে আনার প্রস্তুতি চালাচ্ছিল রাশিয়া। একদিকে যখন তুমুল উত্তেজনা অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন নিয়ে, তখনই রাশিয়া জানিয়ে দেয় সে দেশে Gamaleya Research Institute ও Russian Defence Ministry যৌথভাবে এই করোনার টিকা তৈরি করে ফেলেছে। রুশ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, তৃতীয় পরীক্ষাটির শেষধাপ চলছে। এই ধাপ সম্পূর্ণ

হলেই বাজারে আসবে রাশিয়ার করোনা টিকা।সংবাদ সংস্থা এএফপি সূত্রে খবর এদিন পুতিন ঘোষণা করেন, “আজ সকালে পৃথিবীর প্রথম করোনা টিকা রেজিস্টার করল রাশিয়া।” স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাস্কোকে তিনি ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ আপডেট দিতে বলেছেন। একই সঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে এই ভ্যাকসিনের ক্ষমতা প্রশ্নাতীত। এখন দেখার রাশিয়া কত তাড়াতাড়ি এই ভ্যাকসিন বাজারজাত করে, কী ভাবে এই ভ্যাকসিন বিশ্বেথ ছড়িয়ে দেয় এই দেশ।

আরও পড়ুন=চীনের সরকার অত্যাধুনিক নজরদারি ক্যামেরার মাধ্যমে বেইজিংয়ের প্রতিটি কোণ পর্যবেক্ষণ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি কংগ্রেস কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) চীনের জনগণকে নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যবেক্ষণে সক্ষম প্রযুক্তি উৎপাদন ও ব্যবহার করছে।ফক্স নিউজে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে ইউএস-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশনের চেয়ারম্যান রবিন ক্লেভল্যান্ড এবং ভাইস চেয়ারম্যান ক্যারোলিন বার্থোলোমিউ বলেন, প্রযুক্তিকে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার যে পদক্ষেপ চীন নিয়েছে, তা দলকে টিকিয়ে রাখতে রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

চীন সরকার অত্যাধুনিক নজরদারি ক্যামেরার মাধ্যমে বেইজিংয়ের প্রতিটি কোণ পর্যবেক্ষণ করছে। ব্যক্তিগত আড্ডায় একটি আধা-রাজনৈতিক পোস্টের কারণেও কেউ একজন তার চাকরি হারাতে পারেন। বাড়ির ঠিক কাছেই কোনো কাজ করছেন, যার কারণে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির জন্য পড়তে পারেন আইনি জটিলতারু সরকারের উত্সাহের পাশাপাশি বাজারের চাহিদা মেটাতে বেশ কয়েকটি প্রযুক্তিগত উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশটিতে নজরদারি প্রযুক্তি পণ্যের উৎপাদনে এগিয়ে এসেছে, যা অন্যতম লাভজনক ব্যবসা হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *