বিয়ের দা`বিতে বি`ষের বোতল নিয়ে শি`ক্ষকের বা`ড়িতে ছাত্রী

জাতীয়

কি`শোরগঞ্জের পা`কুন্দিয়ায় বিয়ের প্র`লোভনে শি`ক্ষকের ধ`র্ষ`ণের শি`কার এক কলেজ ছাত্রী বিয়ের দাবিতে বি`ষের বো`তল হাতে শি`ক্ষকের বা`ড়িতে অ`বস্থান নিয়েছেন। তিনি গত ছয় দিন ধরে ওই শি`ক্ষকের ঘ`রে ঢুকে অ`বস্থান করছেন। বি`য়ের দাবি বা`স্তবায়ন না করলে আ`ত্ম`হ`ত্যা করবেন বলেও হু`মকি দিয়ে যা`চ্ছেন তিনি। গত ৩ সে`প্টেম্বর থেকে উ`পজেলার চ`রতেরটে`কিয়া গ্রা`মের ওই শি`ক্ষকের ঘরে অ`বস্থান নেওয়া শুরু করেন তিনি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পা`কুন্দিয়া থা`না পু`লিশ ওই ছা`ত্রীর সঙ্গে কথা বলেও তাঁকে বু`ঝাতে পা`রেননি।অ`ভিযুক্ত শি`ক্ষকের নাম এমএ কা`ইয়ূম। তিনি উ`পজেলার `চ`রতেরটেকিয়া গ্রা`মের নু`রুজ্জামানের ছেলে। চ`রতেরটে`কিয়া মৌ`জা বালিকা বি`দ্যালয়ের স`হকারী শি`ক্ষক তিনি।ছা`ত্রীর প`রিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ছা`ত্রীটি ওই বি`দ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। ব`র্তমানে তিনি একটি কলেজে ডিগ্রি ২য় বর্ষে মা`নবিক শা`খায় অ`ধ্যয়নরত।

৬ষ্ঠ শ্রে`ণিতে পড়ার সময় বি`দ্যালয়টির স`হাকরী শি`ক্ষক এমএ কা`ইয়ূমের কাছে প্রা`ইভেট পড়তেন তিনি। তখন থেকেই ছা`ত্রীটির স`ঙ্গে প্রে`মের স`ম্পর্ক গড়ে তুলেন ওই শি`ক্ষক। পরে কা`ইয়ূম বি`য়ের প্র`তিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে দৈ`হিক স`ম্পর্ক গড়ে তুলেন।বি`ষয়টি টের পেয়ে তিন বছর আগে ছা`ত্রীটিকে অ`ন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন তাঁর প`রিবার। কিন্তু এতেও ছা`ত্রীটির পিছু ছা`ড়েননি কা`ইয়ূম।

ছা`ত্রীর মু`ঠোফোনে তাঁর যোগাযোগ অ`ব্যাহত থাকে।বিষয়টি টের পেয়ে তিন বছর আগে ছা`ত্রীটিকে অ`ন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন তাঁর পরিবার। কিন্তু এতেও ছা`ত্রীটির পিছু ছা`ড়েননি কা`ইয়ূম। ছা`ত্রীর মু`ঠোফোনে তাঁর যো`গাযোগ অ`ব্যাহত থাকে।পু`নরায় বিয়ের প্র`তিশ্রুতি দিয়ে গত ৩ সে`প্টেম্বর ছা`ত্রীটিকে ফুঁ`সলিয়ে ও তো`ষামোদ করে ওই শি`ক্ষক তাঁর বা`ড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে ছা`ত্রীর সঙ্গে ফের রাত্রি যা`পন করেন তিনি।সকালে ছা`ত্রীটি বিয়ের জন্য শি`ক্ষককে চাপ দিলে কৌ`শলে বাড়ি থেকে পা`লিয়ে যান কাইয়ূম।

কোন উ`পায়ান্তর না দেখে ছা`ত্রীটি ওই দিন থেকেই বিয়ের দাবিতে বিষের বো`তল হাতে শি`ক্ষকের বা`ড়িতে অবস্থান করছেন।খবর পেয়ে ছা`ত্রীটির বাবা এলাকার গ`ণ্যমান্য ব্য`ক্তিদের নিয়ে কা`ইয়ূমের বা`ড়িতে উ`পস্থিত হন। কা`ইয়ূমের বাবা নু`রুজ্জামানকে চা`প দিলেও তিনি ওই ছা`ত্রীকে বিয়ে করাতে রাজি হচ্ছেন না।ওই ছাত্রীর বাবা জানান, আমার মেয়ে ওই বি`দ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রে`ণিতে প`ড়ার সময় কা`ইয়ূমের কাছে প্রা`ইভেট পড়তো। এই সু`যোগে তার সাথে প্রে`মের সম্পর্ক গড়ে তুলেন কাইয়ূম।

পরে বি`য়ের প্র`লোভন দেখিয়ে তার সাথে দৈ`হিক স`ম্পর্ক গড়ে তুলেন। মেয়েকে আমরা অন্য জায়গায় বিয়ে দিয়ে দেই।কিন্তু সেখানেও মেয়েটিকে সুখে থাকতে দেয়নি কাইয়ূম। ফু`সলিয়ে একটি সং`সার ভে`ঙ্গে মেয়েটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে মেয়েকে বাড়িতে রেখেই সে পা`লিয়ে যায়। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।এ বিষয়ে জানতে অ`ভিযুক্ত কা`ইয়ূমের মু`ঠোফোনে এ`কাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *