মসজিদে বি`স্ফোরণ: স্বামী মারা যেতেই ভাসুর এসে,,,,

জাতীয়

ফটো সাংবাদিক নাদিম আহমেদ। খুব সাদাসিধে জীবনযাপন করতেন। খুব একটা অভাবী না হলেও কষ্টেই সংসার চলতো তার। জী`বদ্দশায় বড় ভাই হেলাল কখনই নাদিম ও তার স্ত্রী পুত্রের কোনো খোঁজ খবর নিতে যাননি। তল্লায় মসজিদ ট্রা`জেডিতে অ`গ্নিদ`গ্ধ হয়ে মা`রা গেছেন নাদিম হোসেন।আর এ ঘটনায় নাদিমের স্ত্রী লিমা আহমেদ ও একমাত্র পুত্র নাফি আহমেদ ভাসছেন শোকের সাগরে। তারা এখনও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। অথচ নাদিমের বড় ভাই হেলাল ক্ষ`তিপূরণের খবর পেয়ে নাদিমের সদ্য বিধবা স্ত্রী ও এতিম পুত্রকে বঞ্চিত করতে উঠে পড়ে লেগেছে বলে অ`ভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফটোসাংবাদিক নাদিমের বড় ভাই হেলালের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে ক্ষ`তিপূরণের টাকার উপর। যদিও এখনও বড় ধরনের ক্ষ`তিপূরণ পাওয়া যায়নি। তার আগেই ভাসুর হেলাল অসুর হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন।জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ফতুল্লার পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিকট শব্দে বি`স্ফোরণ ঘ`টনায় দ`গ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে জাতীয় শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

এদের মধ্যে ২৮ জন মারা গেছেন। মা`রা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নাদিম আহমেদ। নাদিমকে হারিয়ে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম। সেই সাথে নাদিম পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন মহল। বিভিন্ন পর্যায় থেকে নাদিম আহমেদের স্ত্রী ও সন্তানকে নানাভাবে সহ`যোগিতা করা হচ্ছে।এরই মধ্যে গত ৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় ডনচেম্বারস্থ কাউন্সিলর নিজ বাড়ীতে নিহত ফটো সাংবাদিক নাদিম আহম্মেদের স্ত্রী লিমা আহম্মেদ ও তাদের একমাত্র ছেলে নাফি আহম্মেদের কাছে নগদ অর্থ, একটি সেলাই মেশিন, এক বস্তা চাল, তেল, ডাল, ৫বছর বাড়ী ভাড়া মওকুফ, ছেলে নাফি’র ৯ম শ্রেণী থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত পড়াশোনার খরচ বহন করবেন কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু ও তার স্ত্রী দিপা হাসেম পরিবার।এদিকে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বি`স্ফোরণ ও অ`গ্নিকা`ন্ডের ঘ`টনায় নি`হতদের পরিবার ও দ`গ্ধদের প্রত্যেকের পরিবারকে প্রাথমিকভাবে পাঁচ লাখ টাকা করে দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আগামী সাতদিনের মধ্যে এই টাকা দিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।আর এইসকল ক্ষ`তিপূরণের টাকার উপর নজর পড়েছে না`দিম আহমেদের বড় ভাই হেলালের। হেলাল চাচ্ছে নাদিমের ছেলের দোহাই দিয়ে তার সমস্ত ক্ষ`তিপূরণের টাকা নিজে গ্রহণ করতে।

তার অ`ভিযোগ নাদিমের স্ত্রী টাকা পেয়ে ছেলের খবর না নিয়ে ছেলেকে রেখেই অন্য জায়গায় বিয়ে করতে পারে। আর তাই নাদিম আহমেদের স্ত্রীর উপড় বড় ভাই হেলাল আস্থা রাখতে পারছে না।কিন্তু নাদিমের স্ত্রীর পক্ষের লোকজনের বক্তব্য হচ্ছে, নাদিমের জন্য তার বড় ভাই হেলালের দরদ এতদিন কোথায় ছিল। যখন নাদিম অনেক অভাবের মধ্যে দিন পার করতো তখন তো তার ভাই কিংবা অন্যরা কেউ এগিয়ে আসেননি। েতখন তারা কোথায় ছিলেন। নাদিমের মা`রা যাওয়ার সময়ই কেউ খোঁজ খবর নেয়নি। যখনই বিভিন্ন জায়গা থেকে সহযোগিতা আসতে শুরু করেছে তখনই তাদের খবর হয়েছে। মূলত তার বড় ভাই হেলাল টাকা ভোগ করার জন্যই এই পাঁয়তারা চালাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *