মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়লো

জাতীয়

করোনা ভাইরাসের কারণে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বাংলাদেশসহ ৯টি দেশের অভিবাসন পাস হোল্ডারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার নিষেধাজ্ঞার এই মেয়াদ বাড়ানো হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম বারনামা। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার সরকার জানিয়েছে, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের অভিবাসন পাস হোল্ডারদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি

করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সিনিয়র মন্ত্রী ইসমাইল সাবরিকে উদ্ধৃত করে খবরে বলা হয়েছে, যেসব দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লাখের বেশি সেই দেশগুলো এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।সম্প্রতি বিভিন্ন

দেশ থেকে মালয়েশিয়ায় আসা ও অনিবন্ধতি অভিবাসীদের মধ্যে নতুন করোনা সংক্রমিতের ক্লাস্টার চিহ্নিত হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়ানো হলো।বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৭৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের। করোনা মহামারির

শুরুর দিকে মার্চ মাস থেকেই মালয়েশিয়ায় পর্যটক ও বাণিজ্যিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।ইসমাইল সাবরি বলেন, ‘উচ্চ ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আমরা দেশকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করব’। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, এই নিষেধাজ্ঞায় স্থায়ী বাসিন্দা, প্রবাসী, শিক্ষার্থীরা আওতাভুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন=দুর্নীতির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা আরও ছয় মাস স্থগিত করেছে সরকার।তবে এ সময়ে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।মার্চে ২ বছর ১ মাস ১৭ দিন পর সরকারের নির্বাহী আদেশে প্রথম দফায় ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত হলে কারামুক্ত হন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা

জিয়াসেপ্টেম্বরেই মুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষিতে তার পরিবার ২৮ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা দেয়।এরপর বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানান।গুলশানে নিজ বাসায় আইনমন্ত্রী বলেন, এ সময়ে খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে পারবেন না। দুইটি শর্তে তাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। সেগুলো হলো- এই সময়ে তার ঢাকায় নিজের বাসায় থাকতে হবে এবং তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।এর আগে সোমবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, ‘উনাকে (খালেদা জিয়া) যখন ছয় মাস আগে একবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক কারণে

মুক্তি দিয়েছিলেন, ছয় মাসের জন্য… আমরা তার স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে দরখাস্তে কী লেখা আছে সেসব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবরুখালেদা জিয়া তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়টি শুনেছেন জানিয়ে তার পরিবারের এক স্বজন বলেন, তবে আমরা পরিবারের সদস্যরা তাকে বিদেশ যেতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তে মনোক্ষুণ্ন হয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *