মোটা টাকার মাইনের চাকরি ছেড়ে “চা-ওয়ালা” হলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

জাতীয়

অনেকেরই ইচ্ছে থাকে নিজের মত কিছু করার, তবুও পেটের টানে যেতেই হয় চাকরি করতে। শেষে মনের সাথে যু”দ্ধ করে অনেকেই ফিরে এসে নিজের ইচ্ছে মত ব্যবসা করতে সক্ষম হয় আবার অনেকেই পারে না।কিন্তু মোটা মাইনের চাকরি ছেড়ে এসে চায়ের দোকান দেওয়া কখনও দেখা যায় নি। এক মোটা মাইনের চাকুরে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়র চায়ের দোকান দিয়ে নেটিজেনদের নজরে এসেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় হৈচৈ তাকে নিয়ে।

রাস্তার পাশেই বানানো ইঞ্জিনিয়ারের ওই চায়ের দোকানটি। এও জানা গিয়েছে যে ওই চা-ওলা ইঞ্জিনিয়র অনেক নামী কোম্পানিতে চাকরি করেছেন এমনকি উইপ্রোতেও ছিলেন তিনি। তার আর্থিক প্রাপ্তি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও কম না থাকলেও মনে শান্তি অনেকটাই কমে ছিল। কাজে মন বসাতে না পেরে শেষে চাকরির ছেড়ে রাস্তার ধারে চায়ের দোকান দিয়েছেন তিনি। দোকানটির নাম ইঞ্জিনিয়ার চা-ওযালা।ইঞ্জিনিয়র চা-ওয়ালার পরিচয় থেকে চাকরি ছেড়ে চা দোকান খোলার ইতিহাস সবই লেখা রয়েছে টি স্টলের গায়ে। লেখা আছে, “আমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়র। উইপ্রো-সহ অনেক সংস্থাতেই চাকরি করেছি এবং অনেক টাকা বেতনও পেয়েছি কিন্তু মনে শান্তি পাইনি।

আমার টেবিলে প্রতিদিন চায়ের কাপ রাখা থাকত, কিন্তু সেই চা আমি কোনওদিন পাইনি যেটাকে দারুণ কিছু বলা যাবে। আমি ভাল চায়ের খুব ভক্ত তাই চেয়েছিলাম এমন একটা চা-দোকান হবে যেখানে গেলে মানুষ মনের মতো চা পাবে। সেই কারণেই আমি চায়ের দোকান শুরু করেছি আর নিজে হয়েছি ইঞ্জিনিয়ার চা-ওয়ালা।”

এই দোকানের কথা ছবিসহ প্রথম টুইট করেন আইএএস অফিসার অবনীশ শরণ। তিনি ক্যাপশনে লেখেন, “আজকের সময়ে এত সততা খুব কমই দেখা যায়। নিজের সব কথা ইনি লিখে দিয়েছেন।”দোকানটি হয়তো মহারাষ্ট্রের নাগপুরে অবস্থিত ।চায়ের পাশাপাশি ওই দোকানে সাউথ ইন্ডিয়ান কফি পাওয়া যায়। দাম ১৫ টাকা। এছাড়াও দু’রকমের চা মেলে এই দোকানে।

ইমিউনিটি চা এবং মসালা চা। দু’টিরই দাম কাপ প্রতি ৮ টাকা। এছাড়াও নাগপুরি নরি পোহা বিক্রি হয় ১২ টাকা প্লেট হিসেবে।ইঞ্জিনিয়ার ছেলেটি নিজের জীবনের তৃপ্তি পাওয়ার জন্য এরকম সাহসিকতার জন্য অনেক মানুষই তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। যাকে নিয়ে এত হৈচৈ সেই লোকটি আসলে কে তা নিয়ে এখনো কিছুই জানা যায় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *