মৌলভীবাজারে একই পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ

জাতীয়

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজে’লার সনাতন ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের ৫ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। রোববার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তারা ভাটেরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ

নজরুল ইসলাম বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের পাঁচজন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। স্বেচ্ছায় তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাটেরা ইউনিয়নের মাইজগাঁও কলোনিতে বসবাসরত নিতাই দাস (৫০) ইসলামের প্রতি আকৃ’ষ্ট হয়ে সপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে আ’গ্রহী হন। বি’ষয়টি তিনি ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানালে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তাদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের উদ্যোগ নেন

রোববার রাতে ইউনিয়ন পরিষদেই তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র কালিমা পড়ে নিতাই দাসের পরিবারের পাঁচ সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্ম গ্রহণ করার পর নিতাই দাসের নাম পরিবর্তন করে ইব্রাহিম, স্ত্রীর নাম রহিমা, ছেলের নাম ইসমাইল এবং মে’য়ের নাম কুলছুমা ও ফাতেমা রাখা হয় এ ব্যাপারে ভাটেরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ইসলাম ধর্ম

গ্রহণকারী পরিবারটি বর্তমানে মু’সলমানদের সাহায্য ও সহযোগিতায় নিরাপদে আছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকালে তাদের কাপড়-চোপড়সহ তাৎক্ষণিক খরচের ব্যবস্থা করেছি আমরা। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তারা অনেক খুশি এবং আ’নন্দিত। তারা সবাই ভালো আছেন।

আরও পড়ুন =ভারতীয় নারী প্রেমে মত্ত এক পাকিস্তানি যুবকের। শুধু প্রেমে পড়েছেন এমন না। রীতিমতো প্রেমে হাবুডুবু খেতে খেতে তিনি দেশ ছেড়ে ছুটে গিয়েছেন পাকিস্তানে। সেখানে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে বিয়ে করেছেন গুজরানওয়ালার সুলেমানকে। ওই নারীর বাড়ি ভারতের চন্ডিগড়ে। এখন অভিযোগ, তাকে তার স্বামী আ’টকে রেখেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারত সরকার বার বার পাকিস্তানের কাছে নোট পাঠিয়েছে। তাদেরকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান এ বিষয়ে কোনোই জবাব বা সাড়া দিচ্ছে না।

২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর পাকিস্তানে পৌঁছেন টিনা। সেখানে গিয়ে তিনি ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। বিয়ে করেন সুলেমানকে। তাকে আটকে রাখা হতে পারে এমনটা জানিয়ে কমপক্ষে চারবার পাকিস্তান সরকারকে নোট দিয়েছে ভারত। কিন্তু ভারত বলছে, তাদেরকে কোনো সাড়া দেয় নি পাকিস্তান। ইরিনা হানদোনো ইন্দোনেশিয়ার সুপরিচিত নও-মুসলিম। ১৯৮৩ সালে ইসলাম গ্রহণ করেন। বর্তমানে একজন দা‘ঈ বা ইসলাম প্রচারক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। নও-মুসলিমদের জন্য ইরিনা সেন্টার নামে একটি স্কুলও প্রতিষ্ঠা করেছেন এই নারী। ইসলাম গ্রহণ বিষয়ে ইউটিউবে প্রচারিত তাঁর একটি আত্মকথার কিছু নির্বাচিত অংশ দেয়া হলো—

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *