যত টাকা পাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

জাতীয়

গত মার্চ মাস থেকেই আটকে আছে দেশের শিক্ষা কার্যক্রম। মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। দীর্ঘ সময় পর জুলাইয়ে দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইন ক্লাসও শুরু হয়।তবে এখানেও রয়েছে বিপত্তি। কেননা অনলাইন ক্লাসে অংশ নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস যেমন- স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার না থাকার কারনে

শিক্ষার্থীদের একটা অংশ বঞ্চিত হচ্ছে ক্লাস থেকে। সকল শিক্ষার্থীরা যাতে অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারে সেই লক্ষ্যে যাদের স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য নেই তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে বিনা সুদে ঋণ দেয়া হবে। সামর্থহীন শিক্ষার্থীদের একটি তালিকাও চেয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।গতকাল (৯ আগস্ট) দেশের সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিকট পাঠনো একটি চিঠিতে এই অনুরোধ করা হয়েছে। ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলো।

দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করার অভিপ্রায়ে ২৫ জুন কমিশন এবং উপাচার্যদের মধ্যে জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত চিঠিতে শিক্ষার্থীদের এই তালিকা পাঠানোর একটি ইমেইল ঠিকানা প্রদান করে বলা হয়, ‘’ অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে

যেসব শিক্ষার্থীর ডিভাইস কেনার আর্থিক সক্ষমতা নেই, শুধু সেসব শিক্ষার্থীর নির্ভুল তালিকা ২৫ আগস্টের মধ্যে ই-মেইলে ([email protected]) পাঠানোর অনুরোধ করেছে ইউজিসি।‘’জানা যায়, উপাচার্যদের মতামতের উপর ভিত্তি করে সকল শিক্ষার্থী যাতে অনলাইন ক্লাসে অংশ্রগ্রহণ করতে পারে সেই জন্য শিক্ষার্থীদের ঋণ দেয়ার ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল বেশ আগেই। যার অংশ হিসেবে আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে যে সকল শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য নেই তাদের তালিকা প্রদান করতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *