যারা গুম করেছে একদিন তাদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হবে: ইশরাক

জাতীয়

বিএনপির প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, অচিরেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করে সকল গুমকৃত নেতাকর্মীদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয়া হবে। আর যারা নিখোঁজ নেতাদের বিষয়ে যারা অপরাধী তাদেরকে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলানো হবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ‘আন্তর্জাতিক গুম দিবস’ উপলক্ষে রোববার ঢাকা দক্ষিণ বিএনপি ও অঙ্গ- সহযোগী সংগঠনের

গুম হওয়া সাত নেতাকর্মীর বাসায় গিয়ে এ কথা বলেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক।ইশরাক বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতাসীন এ সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বিনা অপরাধে তুলে নিয়ে মানবতা বিরোধী জঘন্যতম অপরাধ করে আসছে। গুম হওয়া সেসব নেতাকর্মীদের পরিবারবর্গ চরম দুর্দশায় দিনাতিপাত করছে, যা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক।এ সময় অসহায় পরিবারগুলোকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে

নগদ অর্থ সহায়তা এবং তাদের পাশে থাকার ঘোষণা দেন ইশরাক।ইশরাকের সঙ্গে গুম হওয়া নেতাকর্মীদের বাসায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা মহানগর বিএনপির দফতর সম্পাদক মিন্টু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস হোসেন প্রমূখ।

আরও পড়ুন=ঢাকা, ২৭ আগস্ট- ই-পাসপোর্ট ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্টসহ সব ধরনের নতুন পাসপোর্ট ইস্যুর কাজ শুরু হচ্ছে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। এতে সাধারণ মানুষের নতুন পাসপোর্ট পেতে ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে দীর্ঘদিন থেকেই নির্ধারিত সময়ে নতুন পাসপোর্ট পাচ্ছেন না আবেদনকারীরা। এরইমধ্যে নতুন পাসপোর্টের জন্য দুই লাখেরও বেশি আবেদন জমা পড়ে আছে ঢাকাসহ

পাসপোর্ট অধিদফতরের বিভিন্ন আঞ্চলিক অফিসে। এরই মধ্যে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত ২৩ মার্চ থেকে নতুন পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ ও বিতরনের সব ধরনের কাজ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে ৩১ মে থেকে সীমিত আকারে অফিস কার্যক্রম চালুর পর শুধু রি-ইস্যু পাসপোর্ট বিতরণ শুরু করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৩ মার্চ সব ধরনের পাসপোর্ট ইস্যু বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। ফলে পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারীরা বিপাকে পড়েন। তবে সম্প্রতি পাসপোর্টের কার্যক্রম আবারও পুরোদমে চালু করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পাসপোর্ট অধিদফতরের কার্যক্রম পুরোদমে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। করোনার কারণে পাসপোর্ট সেবা বন্ধ হওয়ার আগে ২২ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। তখন ঢাকাসহ ৯টি পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট সেবা দেওয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে আরও ২৫টি পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে ই-পাসপোর্ট দেওয়ার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *