শি`ক্ষক বিয়ে না করলে আ`ত্মহ`ত্যা করবে ছা`ত্রী

জাতীয়

হাইস্কুলে পড়ার সময় প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শি`ক্ষক কা`ইয়ুমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মেয়েটির। এখন তিনি কলেজে পড়েন। এর মধ্যে তার অন্য এক জায়গায় বিয়েও হয়েছিল। কিন্তু পুরনো প্রেমের টানে স্বামীকে তা`লাক দিয়ে ছুটে আসেন প্রেমিক স্কু`লশিক্ষকের কাছে। কথা ছিল তাদের বিয়ে হবে। কিন্তু এরই মধ্যে আরেক নারীকে বিয়ে করে বসেন স্কু`লশিক্ষক কা`ইয়ুম।

এ অবস্থায় প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন ওই কলেজ ছাত্রী। হাতে নেন কী`টনাশ`কের বোতল। বিয়ে ছাড়া কিছুতেই ফিরবেন না তিনি।কি`শোরগঞ্জের পা`কুন্দিয়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে এক সপ্তাহ ধরে অ`বস্থান করছেন ওই কলেজ ছাত্রী। কিন্তু প্রেমিকার আসার খবরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন এমএ কাইয়ুম। প্রেমিক কাইয়ুম বিয়ে না করলে আ`ত্মহ`ত্যার হু`মকি দিচ্ছেন ওই প্রেমিকা। এ ঘ`টনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পু`লিশ।পা`কুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চরটেকিয়া গ্রামের মো. আহাদ মিয়ার মেয়ে ও পাকুন্দিয়া ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ঝুমা আক্তার।

চরতেরটেকিয়া মৌজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় একই স্কু`লের শিক্ষক এমএ কাইয়ুমের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিন বছর আগে ঝু`মাকে অন্যত্র বিয়ে দেয় তার পরিবার। কিন্তু বিয়ের পরও কাইয়ুম মেয়েটির সঙ্গে মোবাইলে সম্পর্ক রাখার চেষ্টা চালান। এক পর্যায়ে স্বামীর সংসার ফেলে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ঝুমা।স্বজনদের অ`ভিযোগ, বিয়ের প্রলোভন দেখিতে গত ২ সেপ্টেম্বর মেয়েটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন কাইয়ুম। পরদিন কাইয়ুমের সঙ্গে ঝুমার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।

তবে এদিন অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করেন কাইয়ুম। এতে ক্ষু`ব্ধ হয়ে গত রো`ববার থেকে কাইয়ুমের বাড়িতে এসে অবস্থান নেয় ঝুমা।অ`ভিযুক্ত এমএ কাইয়ুম চরতেরটেকিয়া গ্রামের নূরুজ্জামানের ছেলে। তিনি চরতেরটেকিয়া মৌজা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হিসাবরক্ষন বিষয়ের শিক্ষক।ঝুমার দাবি, ‘তার শিক্ষক কাইয়ুমের সঙ্গে ১০ বছর ধরে সম্পর্ক। তাদের মধ্যে ব`হুবার শা`রীরিক স`ম্পর্কও হয়েছে। বিয়ের পরও কাইয়ুমের সাথে তার যোগাযোগ ছিল।’তিনি বলেন, ‘কাইয়ুমের কথামতোই তার বাড়িতে এসেছি বিয়ের জন্য। কিন্তু সে প্র`তারণা করে পা`লিয়ে গেছে। সে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত এ বাড়িতেই থাকব। আমারতো আর কোথাও যাওয়ার নেই। প্রয়োজনে আ`ত্মহ`ত্যা করব।’ঘট`নার পর থেকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন কাইয়ুম। এ ঘটনায় ক্ষু`ব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী।এদিকে দী`র্ঘদিন ধরে মে`য়েটির সঙ্গে স`ম্পর্কের বিষয়টি স্বীকার করলেও তাকে ঘরে আনা সম্ভব নয় বলে জানান, কাইয়ুমের মা ও বোন।কাইয়ুমের মা জানান, ‘তার সঙ্গে সম্পর্ক আছে, এটা ঠিক।

কিন্তু এখন তার ছেলে অন্য জায়গায় বিয়ে করে ফেলেছে। এ অবস্থায় মেয়েটি বাড়িতে এসে বসে থাকায় আমরা বিপাকে পড়েছি।’মেয়েটিকে আইনি সহায়তাসহ নিরাপদ হেফাজতে নিতে প্রশাসনিকভাবে উদ্যোগ নেয়া হলেও বিয়ে ছাড়া কাইয়ুমের বাড়ি ছাড়তে নারাজ ঝুমা।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দত্ত জানান, আমরা মেয়েটিকে বুঝিয়ে হেফাজতে নেয়ার জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু সে কিছুতেই প্রেমিকের বাড়ি ছাড়তে রাজি না। হাতে কি`টনাশ`কের বোতল নিয়ে বসে আছে। জোর করলেই আ`ত্মহ`ত্যার হু`মকি দিচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তাকে বো`ঝানোর চেষ্টা করছি। আমরা তাকে সব সময় আইনি সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানিয়ে পা`কুন্দিয়া থা`নার পরিদর্শক মো. শ্যামল মিয়া জানান, মেয়েটির বাবা থানায় একটি এজাহার দিয়েছেন। কিন্তু এতে কিছু ত্রু`টি আছে। তাই এটি সং`শোধন করে মা`মলা রুজুর প্রস্তু`তি নিচ্ছি। মেয়েটির নিরাপত্তার দিকটিও দেখছে পু`লিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *