শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে চিন্তা-ভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

জাতীয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার ব্যাপারে আলাদাভাবে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এখন করোনা পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার ব্রিফিংয়ে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আনোয়ারুল ইসলাম।

স্কুল-কলেজে পরীক্ষা বাকি আছে- এগুলো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কিনা- প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এগুলো এখন করোনার লেটেস্ট যে সার্কুলার তাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। কারণ এখন আর সেন্ট্রালি এত বড় এমবার্গো দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। সেজন্য গত ১০-১২ দিন আগে জার্মানিতে কথা বললাম তারা সব ওপেন করে দিচ্ছে। যদিও ধরা পড়ছে। কিন্তু কী করবে, কতদিন আর বন্ধ রাখা যাবে। এজন্য আমরা এখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর দিয়ে দিয়েছি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তারা আলাদা চিন্তা-ভাবনা (শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ খোলার ব্যাপারে) করছে, কীভাবে করা যায়। কওমি মাদ্রাসা খুলে দেওয়া হয়েছে।করোনা মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সবধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছুটির মেয়াদ ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভি, বেতার ও অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন=জাতিসংঘ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) একটি মূল্যায়নে দেখা গেছে, কক্সবাজার শহরের প্রায় অর্ধেক জনগণ খাদ্য বিষয়ক ঝুঁকির সম্মুখীন। একই সঙ্গে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে জীবিকা ও উপার্জনে ব্যাপক মন্দার কারণে এসব মানুষকে খাদ্য জোগাড় করতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছরু

কক্সবাজার আরবান ভালনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট শীর্ষক এ মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা যায়, জরিপ করা জনগণের ৪০ শতাংশেরই মার্চ মাস থেকে কোনো আয়-উপার্জন নেই এবং ৪৮ শতাংশ মানুষকে পর্যাপ্ত খাবার কিনতে বেশ কষ্ট পেতে হয়েছে। ফলে এসব মানুষ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও দাতাগোষ্ঠীর মতো বাহ্যিক সহায়তার ওপর ব্যাপকমাত্রায় নির্ভর করে আসছে।

ডব্লিউএফপি কক্সবাজারের সিনিয়র ইমার্জেন্সি কো-অর্ডিনেটর শিলা গ্রুডেম বলেন, কোভিড-১৯ কেবল একটি স্বাস্থ্যগত সংকটই নয়, এর পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষের জন্য এটি একটি আর্থ-সামাজিক সংকট। বাংলাদেশে শহরে বসবাসকারী জনগণ এবং জীবন-জীবিকার জন্য পর্যটন ও মজুরি খাতের ওপর নির্ভরশীল মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *