শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন কিনতে তালিকা তৈরির নির্দেশ,যারা পাবেন

জাতীয়

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে স্মার্টফোন ক্রয়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।রোববার (৯ আগস্ট) দেশের ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি চিঠি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য বরাবর পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউজিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালসমূহ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর অভিপ্রায়ে ২৫ জুন কমিশন এবং উপাচার্যদের নিয়ে ভার্চুয়াল এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপাচার্যদের মতামতের ভিত্তিতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যেন সব শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ডাটা সরবরাহ এবং সহজ শর্তে স্মার্টফোন কিনতে ঋণ সুবিধার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য কমিশন থেকে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি দেয়া হয়।

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যেসব শিক্ষার্থীর ডিভাইস ক্রয়ে আর্থিক সক্ষমতা নেই, শুধু সেসব শিক্ষার্থীর নির্ভুল তালিকা ২৫ আগস্টের মধ্যে [email protected] ই-মেইলে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

এদিকে,করোনার প্রাদুর্ভাবে বন্ধ থাকা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে এক বছরের সেশনজট সৃষ্টি হতে পারে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি সেমিস্টার পিছিয়ে যেতে পারে। এ জটের ধাক্কা সামাল দিতে অন্তত দুই বছর লাগবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।তবে বাড়তি ক্লাস আর নির্ধারিত ছুটি বাতিল করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করলে এ সংকট এড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৩১ আগস্টের পর যদি আর ছুটি নাও বাড়ে, তবু ৬ মাসের ছুটিতে ৯ মাস থেকে এক বছরের সেশনজট হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *