শেষ পর্যন্ত দীঘিও!

জাতীয়

‘চাচ্চু’, ‘দাদী মা’, ‘পাঁচ টাকার প্রেম’সহ একের পর এক হিট ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কাড়েন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করার পর চলচ্চিত্র থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। কিছু দিন ধরেই চলচ্চিত্র পাড়ায় শোনা যাচ্ছে নায়িকা হয়েই ফিরবেন দীঘি। সম্প্রতি শাপলা মিডিয়ার পাঁচ ছবিতে নায়িকা হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। তাও আবার এক নায়কের বিপরীতে পাঁচ

ছবি। সিদ্ধান্তটা কি হুট করেই নেয়া?এ প্রসঙ্গে দীঘি বলেন, প্রথম থেকেই আমি কোন ছবি করবো আর কোনটা করবো না তার সিদ্ধান্ত নিতেন মা। মা বেঁচে নেই। এখন আমার সব সিদ্ধান্ত নেন বাবা। শাপলা মিডিয়া এই সময়ে সবচেয়ে বড় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সেলিম আংকেলও আমাকে মেয়ের মতো স্নেহ করেন। বাবা ভেবে দেখেছেন এই ছবিতে কাজ করলে আমার জন্য ভালো হবে। আমিও বাবার কথায় রাজি হয়েছি। তাই বলতে পারেন ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নেয়া।

আরও পড়ুন= জনপ্রিয় নাট্যকার-অভিনেতা বৃন্দাবন দাস ও অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি দম্পতি বিয়ে করেছিলেন ১৯৯৪ সালের ১৯ জানুয়ারি। তার আগে তারা চুটিয়ে প্রেম করেছেন প্রায় ৯ বছর। তারা যখন একে অন্যকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন, তখন আর্থিকভাবে অসচ্ছ্বল ছিলেন।

নাটক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রসঙ্গক্রমে চ্যানেল আই অনলাইনের কাছে এমনই ব্যক্তিগত গল্প বলেন বৃন্দাবন দাস। তিনি বলেন, খুশির বড়ভাই ছিল আমার বন্ধু।আমার মাস্টার্স পরীক্ষার শেষ দিনে খুশিকে গোপনে বিয়ে করি রাতের বেলা। পরের দিন আমার ভাইভা পরীক্ষা ছিল।

সেসময় আমার পকেটে ছিল মাত্র ১৮ টাকা!তিনি বলেন, আমি কখনও পিছনে তাকাই না। ১৮ টাকা পকেটে নিয়ে বিয়ে করাটা এখন আমার কাছে শুধু সাহস মনে হয়না, দুঃসাহস মনে হয়! এটা এখন মনে পড়লে বুঝিনা কীভাবে এটা করেছি।তারুণ্যের শক্তি বোধ হয় এটাই, ভালোবাসার শক্তি এটাই। বিয়ের পরের চার মাস থেকেছি থিয়েটার দলের এক বড় ভাইয়ের বাসায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *