সমুদ্র পথে বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ায় ৩০০ রোহিঙ্গা

জাতীয়

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে ২৯৭ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রায় ছয় মাস কাঠের নৌকায় সাগরে ভাসার পর তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। টানা ৬ মাস সমুদ্রে ভেসে থাকার পর রোহিঙ্গার এই দল আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে সেখানকার কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের

ভেতর ১৪ শিশুর পাশাপাশি ১৮১ জন নারীও রয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এক জেলে মাছ ধরার সময় উপকূল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে রোহিঙ্গাদের দেখতে পান। পরে তাদের উজং ব্ল্যাং সৈকতে নিয়ে আসা হয়। রেড ক্রসের প্রধান জুনাইদি ইয়াহিয়া জানিয়েছেন, তাদের সবাইকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। ১৩ বছর বয়সী একজন

অসুস্থ হওয়ায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত জুনে ১০০ রোহিঙ্গাকে একইভাবে উদ্ধার করে ইন্দোনেশিয়া। মিয়ানমারের এই সংখ্যালঘুরা দেশটির সেনাবাহিনীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে গেছেন। এক দেশ থেকে আরেক দেশে পালানোর এই চিত্র এখনো অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন=মাদ্রিদে রোববার উয়েফা নেশন্স লিগে ইউক্রেনের বিপক্ষে স্পেনের ৪-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে প্রথম গোলটি করে পাসারেইলার পাশে বসেন রামোস। আর দ্বিতীয় গোলটি করে জায়গা করে নেন ইতিহাসে। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ২৩তম গোল।আর্জেন্টিনার হয়ে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত ক্যারিয়ারে ২২ গোল করেছিলেন পাসারেইলা।স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় আট নম্বরে উঠে এসেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফুটবলার, বসেছেন কিংবদন্তি আলফ্রেদো দি স্তেফানোর পাশে।

রেকর্ডের বিষয়টি মাথায় নিয়েই খেলতে নেমেছিলেন অধিনায়ক রামোস। ম্যাচ শেষে তার কণ্ঠে ছিল নতুন ইতিহাস গড়ার উচ্ছ্বাস।“জয় ও তিন পয়েন্ট পেয়ে আমি খুশি। এটা ছিল খুবই পেশাদারী পারফরম্যান্স। আর ব্যক্তিগতভাবে রেকর্ডের বিষয়টি আমার মাথায় ছিল, পাসারেইলাকে পেরিয়ে যাওয়ার ভাবনা। মূলত ডিফেন্ডার হলেও গোল করেও আমি দলে অবদান রাখতে পারি। আমি খুব খুশি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *