‘সিন-হার স`ঙ্গে পরি`চয় নেই, ও`সির স`ঙ্গে ঘনি-ষ্ঠতা নেই’ ইলি`য়াস কো`বরার

জাতীয়

টেক`নাফে সেনাবাহি`নীর অবসরপ্রা`প্ত মে`জর সি`নহা হত্যা`কাণ্ডের ঘট`নায় জড়ি`ত থাকার প্রচা`রণাকে ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন চলচ্চিত্র অভি`নেতা ইলিয়াস কোবরা। সোম`বার সন্ধ্যায় কক্স`বাজার প্রেসক্লাবে আয়ো`জিত এক সংবাদ সম্মে`লনে তিনি এ দাবি করে`ন।সি`নহা হ`ত্যায় জড়ি`ত সন্দে`হে অভি`নেতা ই`লিয়াস কো`বরাকে নিয়ে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করার পর এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।“সংবাদ সম্মেলনে ইলিয়াস দাবি করেন, ‘উক্ত ঘটনায় তিনি জড়িত নন। এমনকি সি`নহার সঙ্গে পরিচয় এবং ও`সি প্রদী`পের সঙ্গে তার কোনো ঘনি`ষ্ঠতাও ছিল না।’ক`ক্সবাজার প্রেস`ক্লাবে আ`য়োজিত সংবাদ সম্মে`লনে তিনি বলেন,

টেকনাফের নোয়াখা`লিয়া পা`ড়ায় তার কোনো বাগা`নবাড়ি নেই। মান`হানি ও অপপ্র`চারের অভি`যোগে তিনি একটি জাতীয় পত্রিকা ও রিপো`র্টারের বিরুদ্ধে মামলার প্র`স্তুতি নিচ্ছেন।ইলিয়াল কোবরা আ`শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তার এলা`কার একটি মসজিদ সং`ক্রান্ত বিরো`ধকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষ তার বিরু`দ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারে। তিনি আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, এমন আশ“ঙ্কায় হ`য়ত

তাকে সিনহা হ`ত্যাাকাণ্ডে জ`ড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে দাবি তার।গত ৩১ জুলাই ইলিয়াছ কোবরা তার বাগা`নবাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য সেনাবা`হিনীর অবসর`প্রাপ্ত মেজর সি`নহা মোহাম্মদ রাশে`দ খানকে টেক`নাফের নোয়া`খালিয়া পাড়ায় আমন্ত্রণ জানান এবং ওসি প্রদী`পের নির্দেশমতে সেখানে সি`নহার কাল`ক্ষেপণ করান বলে গণমাধ্যমে খবর আসে।

আরও পড়ুনঃবন্যায় ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় রাস্তার ওপর ঘর তুলে গরুগুলোকে রেখে কলা গাছের ভেলায় করে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন নুর নাহার বেগম (৩০)। কয়েক বছর আগে পদ্মার করাল গ্রাসে ভিটেবাড়ি, জমি সব হারিয়ে এখন তার পরিবার নিঃস্ব। জমি ভাড়া নিয়ে ঘর তুলে থাকেন পাঁচগাঁও গ্রামের সওদাগার হালদারের বাড়িতে। যেই জমিতে ভাড়া থাকেন এখন সেখানে বুক সমান পানি। তাই নিজের গরু দুটোকে রাস্তার ওপরে ঘর তুলে রেখেছেন। আর পরিবার নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন পাশের মতি সর্দারের বাড়িতে।দিনে ৩ বার কলা গাছের ভেলা চড়ে

গাভীগুলোর পরিচর্যা করতে আসেন নুর নাহার।নুর নাহারের স্বামী মো. আয়নাল হক পেশায় জেলে। সারাদিন পদ্মায় মাছ ধরে ২-৩শ টাকা আয় করেন। তা দিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে কাটে তাদের জীবন। তাই নিজে কিছু রোজগার করে স্বামীকে সহযোগিতার জন্য শুরু করেছেন গরু লালন-পালন। কিন্তু চলতি বছরের বন্যায় বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় গরুগুলোকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে তার পরিবার।এমন চিত্র শুধু নুর নাহারের না। তার মতো আরও অনেকেই ওই রাস্তার ওপর ঘর তুলে গবাদি পশুগুলোর থাকার ব্যবস্থা করেছেন।

বন্যায় তাদের জীবনে যেন কষ্টের সীমা নেই। মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইল বাজারের পদ্মা নদী ঘেঁষে ইট বিছানো এই রাস্তাটি মিলিত হয়েছে উপজেলার গারুরগাঁও বাজারে।গৃহবধূ নুর নাহার বেগম জানান, যখন গাভিগুলোকে পরিচর্যা করতে আসেন ছোট ছোট ছেলে-মেয়েকে শাশুড়ির কাছে রেখে আসেন। তারপরও চরম উৎকণ্ঠায় থাকেন, বাড়িতে রেখে আসা সন্তানগুলো যেন পানিতে পড়ে না যায়।তাই দ্রুত ফিরে যাওয়ার তাড়াও থাকে তার। যখন গরুগুলোর জন্য বেশি খাবার নিয়ে আসেন তখন খাবারগুলো কলা গাছের ভেলায় তুলে নিজে সাঁতরিয়ে পাড়ি দেন প্রায় আধা কিলোমিটার জায়গা।নুর নাহার বেগম বলেন, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আমাদের বাড়িতে বুক সমান পানি। এখন পর্যন্ত কোনো সাহায্য-সহযোগিতার মুখ দেখিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *