সেই ভ’য়ঙ্কর রা`তের বি`স্তারিত বর্ণনা দিলেন ই`উএনও ওয়া`হিদার বা`বা!

জাতীয়

দি`নাজপুর ঘো`ড়াঘাটের ইউএনও ওয়া`হিদা খা`নমের আ`লমিরা থেকে কিছু একটা নিয়ে গেছে হা’ম’লাকারী দুর্বৃ’ত্তরা। ঘ’টনার সময় চাবি না দিলে তার চার বছরের শি’শু ছেলেকে হ’ত্যা করার হু’মকিও দিয়েছিল ওই দু’র্বৃত্ত।ঘরে একজনই ছিল দু’র্বৃত্ত। যার প`রনে ছিল শার্ট ও প্যান্ট, পি`পিই নয়। বা`থরুমের ভে`ন্টিলেটর দিয়ে বেরিয়ে যান তিনি। ঘ`রের ভে`তরে ঘটে যাওয়া ওই স`ময়ের তথ্য জানিয়েছেন হা’ম’লায় গু’রুত’র আ’হ’ত ইউএনওর বা`বা মু`ক্তিযো’দ্ধা ওম’র শেখ।গ`তকাল রো`ববার বেলা ১টায় রংপুর মে`ডিক্যাল ক`লেজ হা`সাপাতালের ১৯ নম্বর সা’র্জারি ওয়া`র্ডের ভি`আইপি ১ নম্বর কে`বিনে চি’কিৎসাধীন বী`রমু`ক্তিযো`দ্ধা ওম’র শেখ বলেন সে রাতের ঘ’টনার কথা।

এ সময় ওয়া`হিদা খা`নমের মা র`মিছা বেগম, বড় ভাই ও মা’মলার বাদি ব`গুড়ার কাহালু থা’নার প`রিদর্শক শেখ ফ`রিদ উ`দ্দিনসহ স্ব`জনরা উ`পস্থিত ছিলেন।রং`পুর মে`ডিক্যাল ক`লেজ হাসপাতলের প`রিচালক ডা: ফ`রিদ উ`দ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ইউএনও ওয়া`হিদা খা`নমের বাবা এখন অ`নেকটা সু`স্থ। তিনি কথা বলতে পারছেন। নিজ হাতে খেতে পারছেন। তবে তার কোম’রের নিচ থেকে এখনো অবশ আছে।

তার চি’কিৎসাপ`ত্র ঢা`কায় পা`ঠানো হয়েছেসেখান থেকে তাকে রে`ফার্ড করার কথা বলা হলে তাকে এই হাস’পা’তাল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হবে। পুরো বিষয়টি তার পরিবার দেখভাল করছে। ইউএনও ওয়া`হিদা খা`নমের বাবা মু`ক্তিযো`দ্ধা ওম’র শেখ ৭ নম্বর সে`ক্টরে কর্নেল নু`রুজ্জামানের অ`ধীনে স`ম্মুখযু’দ্ধে অংশ নিয়েছেন।তিনি বলেন, আমি প্রতিদিনই রাত সাড়ে ৪টার দিকে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ার জন্য উঠি। এরপর না`তিকে ফি`ডার খাওয়াই। কারণ নাতি বু`কের দুধ পায় না। সে দিনও হয়তো আমা’র মে’য়ে ফি`ডার বানিয়েছিল। ভা`বলাম একটু শুই। তাহাজ্জুদ পড়ার পর খাওয়াবো। চোখেও ঘুম ধরে এসেছে।সাড়ে ৩টা মতো বাজে তখন।

আমি বি`ছানায় গা এলিয়ে দিলাম। ভাবলাম একটু ঘুম হওয়ার পর উঠে তাহাজ্জুদ পড়ব। হঠাৎ করে মে’য়েটা চি’ৎকার দিয়ে উঠে বলল, বাবা দেখেন তো কোন বেয়াদব ঘ`রের ভেতর ঢু`কছে। আমি আ`শ্চর্য হইছি। ঘরের ভে`তরে ঢুকতে তো পারবে না। কারণ সব চাবি আমা’র কাছে আছে।কারণ ৫টা গেট ভেঙে কেউ কি আ`সতে পারে। আমি চোখে ঘুম থাকা অ`বস্থাতেই উঠে গেলাম ওর রু`মে। দ`রজা সব সময় খো`লা থাকে আ`মাদের। আমি ঘরে ঢো`কামাত্রই আ`মাকে সঙ্গে সঙ্গে ধা`ক্কা মে’রেছে ব`দমা`ইশ। আমি তখন ওকে ধা`ক্কা মা’রছি, ঘু’ষাঘু’ষি ক’রছি। একপর্যায়ে সে আমা’রে ঘা’ড়ে হা`তুড়ি দিয়ে আ’ঘা’ত করে এবং শ’রীরের বিভিন্ন অংশে বাড়ি মে’রে ফ্যা’কচার করে ফেলে।আমি তবুও প্র`টেকশন দিয়ে গেছি। আবারো বারি মা’রার পর আমি স্টিলের আ`লমিরাটার কাছে গিয়ে পড়ে গেছি।

তবে তখন আমা’র সেন্স ছিল। ওম’র শেখ জানান, অ`নেকক্ষ`ণ পর সে আমাকে বলে, এই সরে আয় ওখান থেকে। তখন আমি বলি বাবা আমা’র সরার বু`দ্ধি নেই। তখন হাত ধ`রে হা’রামির বা’চ্চাটা আমাকে টে`নে নিয়ে এগিয়ে গেল।নিয়ে গিয়ে ল্যা’ট্রিনের দিকে আমা’র মুখ করে আ`লনা থেকে দু’টি কাপড় নামিয়ে আমাকে ছু`ড়ে দিয়ে বলল, এই মুখ ঢাক। আমি তখন ওর ক`থামতো মুখ ঢা`কলাম। আমা’র নাতিটা তখন সারা মেঝেতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। চার বছর বয়স ওর। এ দিকে বদমাইশটা বলছে, এই চাবি দে। চাবি দে। তখন আমি বললাম, বাবা চাবি কোথায় আছে আমি তো জানি না। জামাই-বেটির ঘর আমি কী’ করে জানব।তখন সে আমাকে বলে, চাবি না দিলে তোর না`তিকে মে’রে দে’বো। তখন আমি তাকে বললাম। আরে বাবা ওকে মা’রলে কি চাবি পাবা। আমি কি চাবির কথা বলতে পারব। তখন ও ব`দমাইশটা সু`ইচ দিলো এবং ওয়ারড্রবের ওপরে থাকা ওর দু’টি ব্যাগে হা’তড়াতে লাগল। ইউএনও মানুষ। টাকা-পয়সা কত কী’ থাকে ওর ব্যাগে। ২০/২৫/৪০ হাজার টাকা অনেক সময় ওর ব্যাগে থেকেই যায়।ও কোনো দিন ব্যাগ ড্র`য়ারের ভেতরে ঢুকায় না। অ`ফিস থেকে নিয়ে আসে ওভা`বেই রাখে।

আবার ওভা`বেই অ`ফিসে যাওয়ার সময় নিয়ে যায়। এরই মধ্যে শুনি ভ`টভট শব্দ হচ্ছে। তখন মুখ ঢাকা অবস্থায় চোখ বের করে দেখি ব`দমাইশটা আ`লমিরা খুলছে। শব্দ শুনতে পাচ্ছি। ভ`ট`ভট করতেছে।তবে চাবি খুলে ভেতর থেকে কিছু নিলো, কিছু পা`ইল কি পাইল না, সেটা ওই সময়ে বুঝতে পারি নাই। তবে আমা’র ধা`রণা কিছু একটা নিলো। কি`ছুক্ষণ পরে ল্যা`ট্রিনের ভে`ন্টিলেটর দিয়ে বের হয়ে চলে গেল। ডান হাতে হা`তুড়ি ছিল। একজন ছিল তখন ঘরে, গায়ে শা`র্ট প্যা`ন্ট ছিল, লু`ঙ্গি কিংবা পি`পিই ছিল না।তখন আমি দেখি আমা’র মে’য়ে শুয়ে আছে খাটে। আমি তখন মে’য়ের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে ডাকলাম মা’রে, মা। অনেকক্ষণ পর সে জবাব দিলো। তখন সে (ওয়াহিদা) বলল, আমাকে মে’রে রেখে গেছে আ`ব্বা। ঘাড়ে মে’রেছে। বুকে মে’রেছে। আমাকে মে’রে ফেলেছে আব্বা। আব্বা আমি ঘাড় ফেরাতে পারতেছি না, কথা বলতে পারছি না।এই টু`কুনই আমা’র মে’য়ের সাথে শেষ কথা হয়েছে। আর কোনো কথা বলেনি সে। ওরা হয়তো ভেবেছিল আমা’র মে’য়ে মা’রা গেছে। সে কারণে তাকে বি`ছানায় ওরা শুয়েই রেখেছিল। কী’ কারণে আমা’র মে’য়ের ওপর হা’মলা হলো সেটি অনুমানের ওপর কিছু বলতে পারব না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *